ইংরাজি ছবি দেখার মধ্যমেই চলচ্চিত্রের সঙ্গে পরিচয় অনীক দত্তর৷ বাড়িতে হিন্দি সিনেমা দেখার অনুমতি ছিল না। কারণ হিন্দি সিনেমা বাড়ির বড়দের জন্য৷
অনীক দত্তের কথায়, "মা এসে বলতেন এরপর শর্মিলা আর রাজেশ খান্নার ভাব হল। এই ভাবটা যে ঠিক বুঝতাম না৷ সেই সময় উত্তম সুচিত্রার সিনেমাতেও অন্তরঙ্গ দৃশ্য থাকলে চোখে হাত চাপা দিয়ে দিতেন।"
বাংলা ছবির সঙ্গে অনীক দত্তর প্রথম পরিচয় সত্যজিৎ রায়ের সিনেমার মাধ্যমে৷ আজকাল ডট ইনকে পরিচালক অনীক দত্ত বলেছিলেন, বাংলা সিনেমা প্রথম দেখেছিলেন দুই দিদির সঙ্গে। সত্যজিৎ রায়ের পথের পাঁচালি অনীক দত্তর দেখা প্রথম বাংলা সিনেমা৷
কিন্তু সেই সিনেমা দেখতে গিয়েই হয়েছিল বিপত্তি৷ এত দুঃখ এত দুঃখ যে অনীক দত্ত চোখের জল ধরে রাখতে পারেননি৷ অনীক দত্ত বলেন, "সে সিনেমা দেখে তো কেঁদে কেতরে একশা৷ বাড়ি এসে বললাম জীবনে আর বাংলা সিনেমা দেখব না।"
এতই কান্নাকাটি করেছিলেন যে বাড়ি ফিরে বলেছিলেন আর কোনওদিন বাংলা ছবি দেখবেন না৷ বাংলা ছবির প্রতি ক্ষোভ প্রশমিত হল গুপীগাইন বাঘাবাইন দেখে৷ একাধিকবার হলে গিয়ে দেখেছিলেন গুপীগাইন বাঘাবাইন৷ ঘরোয়া অনুষ্ঠানে গাইলেন ও মন্ত্রীমশাই ষড়যন্ত্রীমশাই। গুপীর চরিত্রে অনীক দত্ত এবং বাফহার চরিত্রে পরিচালকের পাড়ার একটি ছেলে। এই থেকেই বাংলা সিনেমার সঙ্গে সখ্যতা অনীক দত্তর৷ বাংলা সিনেমা এবং সত্যজিৎ রায়ের প্রভাব জীবনভর৷ সেখান থেকেই বানিয়েছিলেন 'অপরাজিত'।
















