পাঁচ দশকের সাঙ্গীতিক যাত্রা, শুরুটা সহজ ছিল না, সেইসময় একজন মহিলা শাড়ি পরে নাইট ক্লাবে দাঁড়িয়ে জ্যাজ পপ গাইছেন এই লাইনটা যত অনায়াসে লিখে ফেলা যায়, ততটাই চ্যালেঞ্জিং ছিল কিংবদন্তি ঊষা উত্থুপের জীবন৷ সেইসময় মেয়েদের গায়কী যেমন হতে শোনা যেত তেমনটা ছিল না ঊষার৷ প্রথাগত শিক্ষা ছিল না সঙ্গীতের, তবুও এত কিছু না থেকেও যা ছিল তাঁর কাছে তা অনেক। পিছুটানে ঊষা উত্থুপ এখনও সেই মুহূর্তের কাছে ঋণী৷ 

উষা উত্থুপ বলেন, পিছনে ফিরে তাকালে কেবল হাততালির শব্দ শুনতে পাই৷ হাততালি ছাড়া বাঁচতে পারব না৷ এটা আমার চাই৷" এছাড়া তিনি পরিবারের প্রতি আন্তরিক কৃতজ্ঞতা জানিয়েছেন৷ 

আজকাল ডট ইন-কে ঊষা উত্থুপ বলেন, "আমার ভাইবোনেরা তো আছেই এবং আমার নিজের পরিবার, আমার মেয়ে অঞ্জলি, ছেলে সানি, আমার নাতনিরা আইশা, রিয়া, এরা সকলেই আমার অংশ৷"

তবে শুধু ভাই বোন বা ছেলে মেয়ে নয় মিউজিশিয়ানদের প্রতিও তিনি আন্তরিক কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন৷ ঊষা বলেন, ওঁদের ছাড়া আমি এই জায়গায় আসতেই পারতাম না৷ এর পাশাপাশি গৃহসহায়িকাদের নিয়েও গর্বিত ঊষা উত্থুপ।  গৃহসহায়িকাদের নাম করে বলেন, আশা, রীতা এবং সোমনাথ ওরা আমার সর্বক্ষণ খেয়াল রাখে৷ আমার গাড়ির চালক, এঁদের ছাড়া আমার জীবন শূন্য৷ আমি ওঁদের সঙ্গে খুব মজা করি৷ সঅকলে ওদের কাজের লোক বলেন কিন্তু আমি ওদের কাজের লোক বলি না। ওঁরাই আমার সহেলি আমার সত্যিকারের বন্ধু৷"

উষা উত্থুপ বলেন, যা আমি শিখেছি জীবন থেকে অভিজ্ঞতা থেকে, তা কোনও স্কুলে শেখাতে পারত না৷ পাঁচ দশকের এই জীবনের প্রতি তিনি কৃতজ্ঞ৷ তরুণ প্রজন্ম ছাড়া দুনিয়া অচল এই কথা বলেও ঊষা উত্থুপ বলেন ভাগ্যিস তিনি সেই সময় জন্মেছিলেন তাই এখনও এই সময়েও প্রাসঙ্গিক থাকতে পেরেছেন৷ সেইসঙ্গে তিনি বলেন তরুণ প্রজন্মকে সঠিক দিশা দেখানোও আমদের কর্তব্য