আজকাল ওয়েবডেস্ক : সরকারী নির্দেশিকা থাকে। থাকে শাস্তির বিধানও। কিন্তু তারপরেও কিছু কিছু সময় অসচেতনতার মর্মান্তিক মাশুল গুণতে হয় সাধারণ মানুষকে। এমনই এক নির্মম ঘটনার সাক্ষী রইল মধ্যপ্রদেশের রাজগড়ের স্থানীয়রা।
ঠিক এইভাবেই টানা ন" ঘণ্টা লড়াই চালিয়েছিলেন রাজ্য বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনী। ২৫ ফুটের খোলা মুখ কুয়ো থেকে খুদেকে উদ্ধারও করেছিলেন তারা। কিন্তু নিয়তি বড়ই নির্মম। এতকিছু পরেও শেষ রক্ষা হল না। হাসপাতালে মৃত্যুর কোলে ঢোলে পড়ল বছর পাঁচের ওই শিশুকন্যা। একরত্তিকে হারিয়ে কান্নায় ভেঙে পড়ে পরিবার।
মাহি নামের ওই পাঁচ বছরের খুদে মঙ্গলবার খেলতে খেলতে আচমকাই খোলা মুখ কুয়োয় পড় যায়। দ্রুত স্থানীয় থানায় খবর দেয় শিশুর পরিবার। তড়িঘড়ি ঘটনাস্থলে পৌঁছয় বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনী। দ্রুত মাহিকে কুয়ো থেকে বের করার ব্যবস্থার নির্দেশ দেন মুখ্যমন্ত্রী শিবরাজ সিং চৌহানও। পুলিশ প্রশাসনের পাশাপাশি ঘটনাস্থলে পৌঁছন স্থানীয় বিধায়কও। ঘণ্টা নয়ের লড়াইয়ের পর উদ্ধার করা হয় ওই খুদেকে। সেইসময় শেষবারের মতো মেয়ের ক্ষীণ কণ্ঠে পাপা, পাপা ডাক শুনেছিলেন মাহির বাবা। প্রাণ বাঁচাতে তড়িঘড়ি খুদেকে ভোপালের একটি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে মৃত্যুর সঙ্গে পাঞ্জা লড়ছিল সে। হাসপাতাল তরফে খবর, দীর্ঘক্ষণ কুয়োয় আটকে পড়ায় শ্বাসকষ্টের সমস্যা হচ্ছিল মাহির। তার ফলেই শারীরিক অবস্থার অবনতি ঘটছিল। বুধবার ভোরে মৃত্যু হয় মাহির। এর আগেও কুয়োর মুখ খোলা রাখা নিয়ে স্থানীয়দের সতর্ক করেছে মধ্যপ্রদেশ প্রশাসন। গত জুলাই মাসেই খোলা মুখ কুয়ো নিয়ে নড়েচড়ে বসে প্রশাসন। কুয়োর মুখ খোলা রাখলে সরকারের তরফে দেওয়া হয় শাস্তির বিধানও। তবে নির্দেশিকা যে শুধুই লালফিতের ফাঁসে আটকে ছিল, তার বড় প্রমাণ বোধহয় এই একরত্তির মর্মান্তিক মৃত্যু।
ঠিক এইভাবেই টানা ন" ঘণ্টা লড়াই চালিয়েছিলেন রাজ্য বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনী। ২৫ ফুটের খোলা মুখ কুয়ো থেকে খুদেকে উদ্ধারও করেছিলেন তারা। কিন্তু নিয়তি বড়ই নির্মম। এতকিছু পরেও শেষ রক্ষা হল না। হাসপাতালে মৃত্যুর কোলে ঢোলে পড়ল বছর পাঁচের ওই শিশুকন্যা। একরত্তিকে হারিয়ে কান্নায় ভেঙে পড়ে পরিবার।
মাহি নামের ওই পাঁচ বছরের খুদে মঙ্গলবার খেলতে খেলতে আচমকাই খোলা মুখ কুয়োয় পড় যায়। দ্রুত স্থানীয় থানায় খবর দেয় শিশুর পরিবার। তড়িঘড়ি ঘটনাস্থলে পৌঁছয় বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনী। দ্রুত মাহিকে কুয়ো থেকে বের করার ব্যবস্থার নির্দেশ দেন মুখ্যমন্ত্রী শিবরাজ সিং চৌহানও। পুলিশ প্রশাসনের পাশাপাশি ঘটনাস্থলে পৌঁছন স্থানীয় বিধায়কও। ঘণ্টা নয়ের লড়াইয়ের পর উদ্ধার করা হয় ওই খুদেকে। সেইসময় শেষবারের মতো মেয়ের ক্ষীণ কণ্ঠে পাপা, পাপা ডাক শুনেছিলেন মাহির বাবা। প্রাণ বাঁচাতে তড়িঘড়ি খুদেকে ভোপালের একটি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে মৃত্যুর সঙ্গে পাঞ্জা লড়ছিল সে। হাসপাতাল তরফে খবর, দীর্ঘক্ষণ কুয়োয় আটকে পড়ায় শ্বাসকষ্টের সমস্যা হচ্ছিল মাহির। তার ফলেই শারীরিক অবস্থার অবনতি ঘটছিল। বুধবার ভোরে মৃত্যু হয় মাহির। এর আগেও কুয়োর মুখ খোলা রাখা নিয়ে স্থানীয়দের সতর্ক করেছে মধ্যপ্রদেশ প্রশাসন। গত জুলাই মাসেই খোলা মুখ কুয়ো নিয়ে নড়েচড়ে বসে প্রশাসন। কুয়োর মুখ খোলা রাখলে সরকারের তরফে দেওয়া হয় শাস্তির বিধানও। তবে নির্দেশিকা যে শুধুই লালফিতের ফাঁসে আটকে ছিল, তার বড় প্রমাণ বোধহয় এই একরত্তির মর্মান্তিক মৃত্যু।
















