আজকাল ওয়েবডেস্ক: শ্রম আপিল ট্রাইব্যুনালে আত্মসমর্পণ করে মামলা নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত জামিন পেয়েছেন বাংলাদেশের নোবেলজয়ী অর্থনীতিবিদ ড. মহম্মদ ইউনূস-সহ চারজন। এর আগে শ্রম আইন লঙ্ঘনের মামলায় ৬ মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ডের রায়ের বিরুদ্ধে ২৫টি যুক্তি দেখান তিনি।
গত ১ জানুয়ারি শ্রম আইনের ৩০৩ (ঙ) ধারায় ড. ইউনূসের সর্বোচ্চ ৬ মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড ও ৫ হাজার টাকা জরিমানা অনাদায়ে ১০ দিনের কারাদণ্ড দেওয়া হয়। অন্যদিকে ৩০৭ ধারায় ২৫ হাজার টাকা জরিমানা অনাদায়ে ১৫ দিনের কারাদণ্ড দেন আদালত।
তবে ৩০ দিনের মধ্যে আপিলের শর্তে ৫ হাজার টাকা বন্ডে জামিন পান ইউনূসসহ ৪ জন। সেই সময়সীমার মেয়াদ শেষ হবে আগামী ৩১ জানুয়ারি।
ড. ইউনূসের আইনজীবীর ভাষ্য, তাঁদের বিরুদ্ধে মামলা করেছে কলকারখানা ও প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন অধিদপ্তর। তার দাবি, রায়ের ক্ষেত্রে ফ্যাক্টসের সঙ্গে ফাইন্ডিংসের মিল নেই। তাই খালাস চেয়ে আপিলে তুলে ধরা হবে ২৫ যুক্তি। শ্রম ট্রাইব্যুনালে আপিল করার পর আইন অনুযায়ী নোটিশ যাবে কলকারখানা ও প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন অধিদপ্তরে। তবে সরকারি সংস্থাটি এখন পর্যন্ত আইনজীবীও নিয়োগ করতে পারেনি।
গত ১ জানুয়ারি শ্রম আইনের ৩০৩ (ঙ) ধারায় ড. ইউনূসের সর্বোচ্চ ৬ মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড ও ৫ হাজার টাকা জরিমানা অনাদায়ে ১০ দিনের কারাদণ্ড দেওয়া হয়। অন্যদিকে ৩০৭ ধারায় ২৫ হাজার টাকা জরিমানা অনাদায়ে ১৫ দিনের কারাদণ্ড দেন আদালত।
তবে ৩০ দিনের মধ্যে আপিলের শর্তে ৫ হাজার টাকা বন্ডে জামিন পান ইউনূসসহ ৪ জন। সেই সময়সীমার মেয়াদ শেষ হবে আগামী ৩১ জানুয়ারি।
ড. ইউনূসের আইনজীবীর ভাষ্য, তাঁদের বিরুদ্ধে মামলা করেছে কলকারখানা ও প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন অধিদপ্তর। তার দাবি, রায়ের ক্ষেত্রে ফ্যাক্টসের সঙ্গে ফাইন্ডিংসের মিল নেই। তাই খালাস চেয়ে আপিলে তুলে ধরা হবে ২৫ যুক্তি। শ্রম ট্রাইব্যুনালে আপিল করার পর আইন অনুযায়ী নোটিশ যাবে কলকারখানা ও প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন অধিদপ্তরে। তবে সরকারি সংস্থাটি এখন পর্যন্ত আইনজীবীও নিয়োগ করতে পারেনি।
















