আজকাল ওয়েবডেস্ক: ভারত-এ বনাম আফগানিস্তান-এ ম্যাচে বিতর্কিত সিদ্ধান্ত। তৃতীয় আম্পায়ারের রায়ে বেঁচে গেলেন বৈভব সূর্যবংশী।
ত্রিদেশীয় সিরিজের পঞ্চম একদিনের ম্যাচে ভারত-এ ও আফগানিস্তান-এ-র লড়াইয়ে তুমুল বিতর্কের জন্ম দিল তৃতীয় আম্পায়ারের একটি সিদ্ধান্ত।
ভারতের তরুণ ওপেনার বৈভব সূর্যবংশীকে ক্যাচ আউটের আবেদন সত্ত্বেও 'নট আউট' ঘোষণা করা হলে মাঠে এবং সোশ্যাল মিডিয়ায় ব্যাপক প্রতিক্রিয়া দেখা যায়।
ঘটনাটি ঘটে সূর্যবংশীর ইনিংসের একেবারে শুরুতে, যখন তিনি এখনও শূন্য রানে ব্যাট করছিলেন। আফগানিস্তানের এক ফিল্ডার তাঁর ক্যাচটি তালুবন্দি করেছেন বলেই রিপ্লেতে মনে হচ্ছিল।
এমনকি সূর্যবংশী নিজেও আউট ভেবে বাউন্ডারি লাইনের দিকে হাঁটতে শুরু করেছিলেন। তবে ভিডিও রিপ্লে খতিয়ে দেখে তৃতীয় আম্পায়ার জানান, বলের একটি অংশ মাটিতে স্পর্শ করেছে বলে তাঁর মনে হয়েছে এবং সেই কারণে ব্যাটারকে আউট দেওয়ার মতো পর্যাপ্ত প্রমাণ নেই।
সিদ্ধান্ত ঘোষণার আগে তৃতীয় আম্পায়ার বলেন, ''বলটির একটি অংশ মাটিতে স্পর্শ করেছে, এটাই আমার সিদ্ধান্ত।'' এরপর স্ক্রিনে সবুজ সংকেত দেখিয়ে সূর্যবংশীকে 'নট আউট' ঘোষণা করা হয়।
Vaibhav survives the scare! Third umpire says NOT OUT 😮💨
— Sony LIV (@SonyLIV)
Watch #TalentTVCup LIVE on #SonyLIV & #SonySportsNetwork 📺 pic.twitter.com/txOaxjXdx3Tweet by @SonyLIV
এই সিদ্ধান্তে হতবাক হয়ে পড়েন আফগানিস্তানের খেলোয়াড়রা। তাঁরা ফিল্ড আম্পায়ারদের সঙ্গে আলোচনা করে সিদ্ধান্তের ব্যাখ্যাও জানতে চান।
তবে এই জীবন কাজে লাগাতে পারেননি ১৫ বছর বয়সি এই ব্যাটার। ম্যাচে তিনি মোট দু'টি সুযোগ পান, কিন্তু বড় ইনিংস খেলতে ব্যর্থ হন। শেষ পর্যন্ত ৩৮ রান করে ফরিদুন দাউদজাইয়ের বলে কভার-পয়েন্টে খালিদ তানিওয়ালের হাতে ক্যাচ দিয়ে সাজঘরে ফেরেন।
উল্লেখ্য, আইপিএল ২০২৬ মৌসুমে রাজস্থান রয়্যালসের হয়ে ৭৭৬ রান করে আলোচনায় উঠে আসেন সূর্যবংশী। অল্প বয়সেই বিশ্বের সেরা বোলারদের বিরুদ্ধে তাঁর আগ্রাসী ব্যাটিং ক্রিকেটপ্রেমীদের মধ্যে ব্যাপক প্রত্যাশার জন্ম দিয়েছে।
এর আগে শ্রীলঙ্কা-এ-র বিরুদ্ধে আগের ম্যাচেও বিতর্কে জড়িয়েছিলেন সূর্যবংশী। সেই ম্যাচে এক শ্রীলঙ্কান ক্রিকেটারের সঙ্গে তাঁর শারীরিক বাগ্বিতণ্ডা হয়েছিল। পরবর্তীতে বিতর্কিত সুপার ওভারে ভারত-এ ম্যাচটি হেরে যায়।
ভারত-এ ও আফগানিস্তান-এ ম্যাচে তৃতীয় আম্পায়ারের এই সিদ্ধান্ত এখন ক্রিকেট মহলে আলোচনার কেন্দ্রে পরিণত হয়েছে।















