আজকাল ওয়েবডেস্ক: ভারতের কাছে পাকিস্তানের হারের পরে বাবর আজমদের বিঁধেছেন তিরাশির বিশ্বজয়ী দলের সদস্য কৃষ্ণমাচারি শ্রীকান্ত। 

এই পাকিস্তান দলের কোয়ালাটি নেই। ভারত-পাকের মধ্যে আগে যে লড়াই দেখা যেত, এখন সেই লড়াই আর দেখা যায় না। শ্রীকান্ত বলেছেন, ''শাহিন আফ্রিদিকে ঘিরে যত প্রচার, বুগিম্যান ভাবমূর্তি। সব শেষ, সব শেষ। এরকম পাকিস্তানকে কি কেউ এভাবে দেখেছে? ওয়াকার ইউনিস, ইমরান খান, ওয়াসিম আক্রম-সহ আরও অনেক ক্রিকেটার ছিল পাকিস্তানে, ছিল  আকিব জাভেদও। এখন ওরা একজন ফাস্ট বোলার খুঁজে পায় না। তোমাদের দেশে কি ক্রিকেট এখন পড়তির দিকে? আর ব্যাটিংয়ের কথাই যদি বলি তাহলে বলব একটা এমন কোনও ব্যাটার নেই যার উপরে নির্ভর করা যায়। বাবর আজম যদি দেশের একনম্বর ব্যাটার হয়, তাহলে টি-টোয়েন্টি খেলার কথা ভুলে যাওয়াই ভাল।'' 

ভারতের রান তাড়া করতে নেমে পাকিস্তানের ব্যাটিংয়ের ভরাডুবি হয়। পাকিস্তানের ব্যাটিং লাইন আপকে সবথেকে শক্তিহীন বলে মনে করেন শ্রীকান্ত। তিরাশির বিশ্বজয়ী দলের সদস্য বলছেন, ''পাকিস্তানের সবথেকে দুর্বল ব্যাটিং লাইন আপ এই দলের। সৈয়দ আনোয়ার. ইনজামাম উল হক, রামিজ রাজার মতো ব্যাটারদের দেখেছি। কী শক্তিশালী ব্যাটি  লাইন আপ ছিল পাকিস্তানের। সত্যি কথা বলব, ভারতের চতুর্থ দলও এই পাকিস্তানকে দুরমুশ করে দেবে। কেবল বলতে হবে, ভারতের মূল দলে আমরা সুযোগ পাই না। ভারতের সি দলের মুখোমুখি হোক পাকিস্তান। আমরা হারিয়ে দেব। ভারতের সি দলও হারিয়ে দেবে এই পাকিস্তানকে।'' 
ভারত-পাক ম্যাচে কি সত্যিকারের লড়াই আর হয়? নাকি কাগজেকলমেই কেবল গুরুত্ব রয়েছে? 
দুই প্রতিবেশি দেশের মুখোমুখি সাক্ষাতের ফলাফল এখন ৮-১। 
এই পাকিস্তান যতটা গর্জায়, ততটা বর্যায় না। এই পাকিস্তান ক্রিকেট নিয়ে রাজনীতি করে কিন্তু মাঠে নেমে ক্রিকেট খেলতে পারে না। 

এই পাকিস্তান ভারতের বিরুদ্ধে নামলেই গুটিয়ে থাকে ভয়ে। আর নিয়ম করে ম্যাচ হারে। 
কলম্বোতেও এর ব্যতিক্রম নয়। টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে পাকিস্তানের বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ ১৭৫ রান তুলল ভারত। আর সেই রান তাড়া করতে নেমে পাকিস্তান থেমে গেল ১১৪ রানে।
ভারত-পাক ম্যাচে নেই আগের মতো বারুদ। এখন একপেশে ম্যাচ হয়। দিনের শেষে ভারতের জয় হয় দস্তুর। এবার নিয়ে ভারত ও পাকিস্তানের দ্বৈরথের ফলাফল ৮-১। ম্যাচ জিতে ভারত পৌঁছে গেল সুপার এইটে।