আজকাল ওয়েবডেস্ক: ২০২৭ সালে ঘরের মাঠে আন্তর্জাতিক মরশুমের পূর্ণাঙ্গ সূচি প্রকাশ করেছে ইংল্যান্ড এবং ওয়েলস ক্রিকেট বোর্ড। সেই সূচি অনুযায়ী, ২০২৩ সালের মতো এবারও একই সময়ে অনুষ্ঠিত হবে পুরুষ এবং মহিলাদের অ্যাশেজ সিরিজ। পুরুষদের পাঁচ টেস্টের অ্যাশেজ শুরু হবে ১৮ জুন। ট্রেন্ট ব্রিজে প্রথম টেস্ট। শেষ হবে ২ আগস্ট দ্য ওভালে। অন্যদিকে, মহিলাদের অ্যাশেজ শুরু হবে ২৪ জুন। হেডিংলিতে অনুষ্ঠিত একমাত্র টেস্ট ম্যাচ দিয়ে। ২০২৩ সালে এই যুগ্ম সূচি ব্যাপক সাফল্য পেয়েছিল। সেই বছর পুরুষদের টেস্ট সিরিজ ২-২ এ ড্র হয়। মহিলাদের বহু ফরম্যাটের অ্যাশেজও ৮-৮ এ শেষ হয়। দু'বারই ট্রফি ধরে রাখে অস্ট্রেলিয়া।

২০১৫ সালে স্টুয়ার্ট ব্রডের ঐতিহাসিক ৮ উইকেটে ১৫ রানের স্পেলের পর এই প্রথম ট্রেন্ট ব্রিজে অ্যাশেজ ফিরছে। নটিংহ্যামের প্রথম টেস্টের পর বাকি ম্যাচগুলি অনুষ্ঠিত হবে লর্ডস, এজবাস্টন, ইউটিলিটা বোল এবং দ্য ওভালে। উল্লেখযোগ্যভাবে, ইউটিলিটা বোলে এবারই প্রথম পুরুষদের অ্যাশেজ টেস্ট আয়োজিত হবে। অ্যাশেজ শুরুর আগে ৭ থেকে ১০ জুন এমিরেটস ওল্ড ট্র্যাফোর্ডে ইংল্যান্ড লায়ন্সের বিরুদ্ধে চার দিনের প্রস্তুতি ম্যাচ খেলবে অস্ট্রেলিয়া। ইসিবি জানিয়েছে, ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়ার সঙ্গে আলোচনার পরই এই প্রস্তুতি ম্যাচের ব্যবস্থা করা হয়েছে, যাতে সফরকারী দল পর্যাপ্ত ম্যাচ অনুশীলনের সুযোগ পায়। চলতি বছরের অ্যাশেজে ইংল্যান্ডের ৪-১ ব্যবধানে হারের অন্যতম কারণ হিসেবে পর্যাপ্ত প্রস্তুতি ম্যাচের অভাবকে ধরা হয়েছিল।

ঘরের মাঠে ইংল্যান্ডের ২০২৭ সালের আন্তর্জাতিক মরশুম শুরু হবে ১৫মে পাকিস্তানের বিরুদ্ধে পাঁচ ম্যাচের একদিনের সিরিজ দিয়ে। চলবে ২৬ মে পর্যন্ত। তবে এই সিরিজে ইংল্যান্ডের কয়েকজন ক্রিকেটারের খেলা নিয়ে অনিশ্চয়তা রয়েছে। কারণ একই সময়ে আইপিএল চলতে পারে। যদিও ২০২৭ আইপিএলের সূচি এখনও ঘোষণা হয়নি। বিসিসিআই আগেই জানিয়েছিল, ২০২৬ সালের আইপিএল ১৪ মার্চ থেকে ৩০ মে পর্যন্ত চলবে। ইসিবি এবং বিসিসিআইয়ের বর্তমান চুক্তি অনুযায়ী, ইংল্যান্ডের ক্রিকেটারদের আইপিএলে খেলার দায়বদ্ধতা পূরণ করতে হবে। ফলে ২৮ মে লর্ডসে বাংলাদেশের বিরুদ্ধে একমাত্র টেস্টে কয়েকজন নিয়মিত ক্রিকেটারকে নাও পাওয়া যেতে পারে। ২০১০ সালের পর এই প্রথম ইংল্যান্ড সফরে টেস্ট খেলবে বাংলাদেশ। তার আগে ফেব্রুয়ারিতে বাংলাদেশের মাটিতে দুই ম্যাচের টেস্ট সিরিজ খেলবে ইংল্যান্ড। ঘরের মাঠে সেপ্টেম্বরে নিউজিল্যান্ডের বিরুদ্ধে তিনটি টি-২০ আন্তর্জাতিক এবং পাঁচটি একদিনের ম্যাচ খেলবে ইংল্যান্ড। আগামী অক্টোবরে দক্ষিণ আফ্রিকায় একদিনের বিশ্বকাপ। তার প্রস্তুতি হিসেবে এই সাদা বলের সিরিজকে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে।