আজকাল ওয়েবডেস্ক: মঙ্গলবার, বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী পদে শপথ নেবেন তারেক রহমান। ইতিমধ্যেই শপথ নিয়েছেন বিএনপি সাংসদরা। প্রধানমন্ত্রী পদে শপথ নেবেন তারেক রহমান। মঙ্গলবার শপথ নিয়েছেম জামাতের নবনির্বাচিত সংসদ সদস্যরাও। তবে বাংলাদেশের একাধিক এবং সর্বভারতীয় একাধিক সংবাদমাধ্যম সূত্রে খবর, সরকারের শপথ গ্রহণের আগেই স্বরূপ দেখাতে শুরু করেছে পদ্মাপারের বিরোধীরা।
সূত্রের খবর, জামাত একপ্রকার হুমকি দিয়েছে বিএনপিকে। বিষয় কী? জানা গিয়েছে, তাদের দাবি, বিএনপি'কে শপথ নিতে হবে গণভোটের ফলাফল অনুযায়ী সংবিধান সংস্কারের। অন্যথায় তাদের সদস্যরা শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠান বয়কট করবেন।
অন্যদিকে সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যম সূত্রে খবর, শপথ গ্রহণের দিনেই বাংলাদেশের একাধিক জায়গায় প্রতিবাদ মিছিলের হুমকি দিয়েছে। এক্ষেত্রেও কারণ ওই একই। বিএনপি গণভোটের ফলাফল অনুযায়ী সংবিধান সংস্কারের শপথ না নিলে, তারা কেবল শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠান বয়কটই করবে না, প্রয়োজনে পথে নেমে প্রতিবাদ মিছিল করবে বলেও হুঁশিয়ারি দিয়েছে বিরোধীরা।
এই প্রসঙ্গে উল্লেখ্য, জুলাই সনদে ১৮০ দিনের জন্য সংসদকে একটি গণপরিষদে রূপান্তরিত করার লক্ষ্যে কাজ করা হয়েছে, যা আসন্ন সংসদকে বাংলাদেশের সংবিধান এবং গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠান ও প্রক্রিয়ায় পরিবর্তন আনার ক্ষমতা দেয়। অন্যদিকে তথ্য, বিএনপি অনিচ্ছা সত্ত্বেও জুলাই সনদে স্বাক্ষর করেছিল, কিন্তু তাদের নেতারা বলে আসছেন যে বেশ কিছু বিধান নিয়ে দলের আপত্তি রয়েছে। তারেক রহমানের দলের দাবি, জুলাই সনদ তৈরির সময় তাদের দলের সঙ্গে কোনও প্রকার পরামর্শ করা হয়নি।
অন্যদিকে, নির্বাচনের আগে থেকেই জামায়াত এবং এনসিপি সংস্কারের আহ্বান জানিয়ে আসছে। বিএনপি আগে নির্বাচন চেয়েছিল। কিন্তু বাংলাদেশের অন্তবর্তী সরকারের প্রধান উপদেষগটা মহম্মদ ইউনূস একই দিনে, ১২ ফেব্রুয়ারি নির্বাচন এবং গণভোট আয়োজন করেন।
বিএনপি মঙ্গলবার ঘোষণা করেছে যে তাদের সংসদ সদস্যরা সংবিধান সংস্কার কাউন্সিলের সদস্য হিসেবে শপথ নেবেন না, যার লক্ষ্য জুলাই সনদের গণভোট থেকে পরিবর্তন এনে বাংলাদেশ সংবিধান পরিবর্তন করা। প্রবীণ বিএনপি নেতা সালাউদ্দিন আহমেদ তারেক রহমানের উপস্থিতিতে দল এই সিদ্ধান্ত ঘোষণা করেছেন।
অন্যদিকে, মঙ্গলবার বিদায়ী ভাষণ দিয়েছেন বাংলাদেশের অন্তবর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা মহম্মদ ইউনূস। বিদায়ী ভাষণেও ভারতের বিরুদ্ধে কটাক্ষপূর্ণ মন্তব্য অব্যাহত রাখলেন তিনি। প্রায় ২৫ মিনিটের ভাষণে তিনি ভারতের সংবেদনশীল উত্তর–পূর্ব অঞ্চলের প্রসঙ্গ টেনে আনেন।
ইউনূসের ১৮ মাসের শাসনকালে দুই দেশের সম্পর্কে উত্তেজনা তৈরি করেছিল ভারতের উত্তর-পূর্ব অংশ এবং সেভেন সিস্টার্স। ইউনূস দাবি করেন, বাংলাদেশ সেভেন সিস্টার্সের মাধ্যমে অর্থনৈতিক ভাবে বিশাল উন্নতি করতে পারে।
