আজকাল ওয়েবডেস্ক: তৃণমূল জমানা এবং সেই সময়ের বিশ্ববঙ্গ বাণিজ্য সম্মেলন। এবার সেই বিজিবিএস স্ক্যানারে। বর্তমান মুখ্যমন্ত্রী সাফ জানিয়ে দিলেন, প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রীর সময়ের এই বাণিজ্য সম্মেলন নিয়েই এবার বিস্ফোরক বর্তমান মুখ্যমন্ত্রী। যে কোনও ধরনের আর্থিক তছরুপকে রেয়াত নয়, তা স্পষ্ট করেন আরও একবার।
শুক্রবার মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী, একাধিক প্রসঙ্গের উত্থাপন করেছেন। তারমধ্যে অন্যতম, বিশ্ববঙ্গ বাণিজ্য সম্মেলনে প্রসঙ্গ। এদিন মুখ্যমন্ত্রী বলেন, 'বিজিবিএস করতে গিয়ে একটি ইভেন্ট ম্যানেজমেন্ট সংস্থাকে ৬৩৫কোটি টাকা দিয়েছে, এর তদন্ত হবে। মামলা আমরা করব। মানি লন্ডারিং যারা তদন্ত করবেন, তাদের হ্যান্ডওভার করব।' সঙ্গেই শুভেন্দুর কথায় এদিন আবার উঠে আসে ফলতা এবং পুষ্পা জাহাঙ্গীর প্রসং। নলেন, 'পুষ্পাদের হাল মানুষ দেখতে পাচ্ছে।'
এদিন, বিশ্ববাংলা কনভেনশন সেন্টারে শুভেন্দু বলেন, 'এ বার রাজ্যে টাটাকে আনবো আমরা। সিঙ্গুরের সেই জমি সরকারের হাতে নেই। বিগত সরকার তার মালিকানা ওখানকার কৃষকদের দিয়ে দিয়েছে। যাঁরা ওই জমিতে না সর্ষের চাষ করছেন, না আলু ফলাতে পারছেন, না ধান চাষ করতে পারছেন না। এমনকি মাছ চাষ করতে পারছেন না। ওই মাটির সঙ্গে টাটার রড-সিমেন্ট সবকিছু মিশে রয়েছে।'
তিনি আরও জানান, 'এবার পাঁচবারের অভিজ্ঞ বিধায়ক তাপস রায় শিল্পমন্ত্রীর দায়িত্ব নিয়েছেন। আগের সরকারের মতো আমরা কোনও মিথ্যাচার বা 'ফটো সেশন' করতে চাই না। ইতিমধ্যেই বহু বড় শিল্প প্রস্তাব আমাদের কাছে এসেছে। সেগুলি খতিয়ে দেখার জন্য একটি উচ্চপর্যায়ের টিম গঠন করা হয়েছে, যারা প্রাথমিক ঝাড়াই-বাছাইয়ের কাজ করছে। বড়, মাঝারি ও ছোট, এই তিন স্তরের (ত্রিফলা) শিল্পের মেলবন্ধন ঘটানো হবে পশ্চিমবঙ্গে।'
রাজ্যে শিল্প ও কর্মসংস্থান নিয়ে নতুন সরকারের রূপরেখা স্পষ্ট করে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, 'পশ্চিমবঙ্গ এবার কর্মসংস্থানমুখী ও শিল্পবান্ধব হবে। ১৯৮৪ সালের জমি অধিগ্রহণ আইন মেনেই সরকার জমি কিনছে। পশ্চিমবঙ্গের মানুষ বেকারত্ব থেকে মুক্তি চান। নন্দীগ্রামের মতো গুলি না চালিয়েও যে শিল্প আনা যায়, নতুন সরকার সেটাই প্রমাণ করে দেখাবে।'















