আজকাল ওয়েবডেস্ক: ইরানের হামলা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছিল কাতারের সবচেয়ে বৃহৎ রাস লাফান শিল্প শহরের গ্যাস প্রক্রিয়াকরণ কেন্দ্রটি। সেটিকে মেরামতি করে রবিবার কাজ শুরু হয়েছিল। কিন্তু, এই কাজ শুরুর কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই রবিবার গভীর রাতে কাতারের প্রধান প্রাকৃতিক গ্যাস রপ্তানি কেন্দ্রে ভয়াবহ বিস্ফোরণ ঘটেছে। এতে অন্তত ৫৪ জন আহত হয়েছেন এবং ১৮ জন নিখোঁজ।
রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন প্রতিষ্ঠান 'কাতারএনার্জি'-র দেওয়া তথ্য অনুসারে, রাস লাফান শিল্প এলাকার বারজান গ্যাস সরবরাহ কেন্দ্রে রপ্তানি কার্যক্রম পুনরায় শুরুর প্রস্তুতির সময় বিস্ফোরণটি ঘটে। বিস্ফোরণের পর সেখানে আগুন ধরে যায়, তবে ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ এখনও স্পষ্ট নয়।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিও-তে দেখা যায়, রাতের অন্ধকার আকাশে আগুনের শিখা ও ধোঁয়া ছড়িয়ে পড়ছে এবং মাথার ওপরছোট উজ্জ্বল একটি বস্তু দেখা যাচ্ছে।
যুদ্ধের সময় ইরান হরমুজ প্রণালীর ওপর নিয়ন্ত্রণ জোরদার করায় আন্তর্জাতিক গ্রাহকদের কাছে গ্যাস সরবরাহ ব্যাহত হয়। কাতার গ্যাস উৎপাদন বন্ধ রাখতে বাধ্য হয়েছিল। সংঘাতের স্থায়ী অবসানের লক্ষ্যে আলোচনা চলতে থাকা এবং কৌশলগত এই জলপথে বিধিনিষেধ শিথিল হওয়ার পর কর্তৃপক্ষ রপ্তানি টার্মিনালে কাজ পুনরায় শুরুর উদ্যোগ নিয়েছিল। তবে রবিবার রাতে সেই চেষ্টা বিপর্যয়ের ধারণ করে।
কর্মকর্তারা প্রাথমিকভাবে জানিয়েছিলেন যে অল্প কয়েকজন মানুষ আহত হয়েছেন। কিন্তু কয়েক ঘণ্টা পর কাতারের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক হতাহতের সংখ্যা সংশোধন করে জানায় যে, অন্তত ৫৪ জন আহত হয়েছেন এবং ১৮ জনের কোনও খোঁজ পাওয়া যাচ্ছে না।
এই ঘটনা বিশ্ব জ্বালানি বাজারে অনিশ্চয়তা আরও বাড়িয়ে দিতে পারে। কারণ কাতার বিশ্বের অন্যতম শীর্ষ প্রাকৃতিক গ্যাস রপ্তানিকারক দেশ।















