আজকাল ওয়েবডেস্ক: বিয়ের পর আড়াই মাস কাটল না। প্রেম করে বিয়ের জেরেই নবদম্পতির ভয়ঙ্কর পরিণতি। নিজের পরিবারের হাতেই শেষ ২০ বছরের নববধূ। কুপিয়ে খুনের অভিযোগ উঠল তাঁর পরিবারের সদস্যদের বিরুদ্ধে। 

 

সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যম সূত্রে জানা গিয়েছে, ঘটনাটি ঘটেছে পাঞ্জাবে। পুলিশ জানিয়েছে, ফরিদকোট জেলায় ২০ বছরের এক তরুণীকে খুনের অভিযোগ উঠেছে তাঁর পরিবারের বিরুদ্ধে। এরপরই তাঁর দেহটি মাঠে ফেলে রেখে পালিয়ে যান সকলে। পুলিশের আশঙ্কা, প্রেম করে বিয়ের জন্যেই এই নৃশংস হত্যাকাণ্ড ঘটতে পারে। এই সম্পর্ক ঘিরে আপত্তি ছিল তরুণীর পরিবারের। বিয়ের ঠিক পরেই তরুণীর মর্মান্তিক পরিণতি হল। 

 

পুলিশ আরও জানিয়েছে, ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে তরুণীকে খুন করা হয়েছে।‌ এরপর রক্তাক্ত দেহটি অমৃতরসর-ভাতিন্দা জাতীয় সড়কের পাশেই খোলা মাঠে ফেলে দেওয়া হয়। মৃত তরুণীর নাম, মেহেকপ্রীত কৌর। স্থানীয়দের থেকে খবর পেয়েই দেহটি উদ্ধার করে পুলিশ। এরপর সরকারি হাসপাতালে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে। 

 

প্রাথমিক তদন্তের পর পুলিশ জানিয়েছে, গত ৪ মে জগদীপ সিংয়ের সঙ্গে বিয়ে করেছিলেন তরুণী। বিয়ের আগে প্রেমের সম্পর্ক ছিল তাঁদের। দু'জনে এক গ্রামের বাসিন্দা ছিলেন। কিন্তু তাঁদের প্রেমের সম্পর্ক ঘিরে আপত্তি ছিল তরুণীর পরিবারের। বিয়েতেও তারা রাজি ছিল না। পরিবারের আপত্তি সত্ত্বেও আড়াই মাস আগেই বিয়ে করে যুগল। বিয়ের পর পাশের এক গ্রামেই থাকতে শুরু করেন। 

 

সোমবার সন্ধ্যায় নবদম্পতি বাইকে করে ঘুরতে বেরিয়েছিল। সেই সময়েই হামলা করে তরুণীর পরিবার। কোনও মতে পালিয়ে প্রাণ বাঁচান জগদীপ। সেই সময়েই তরুণীকে কুপিয়ে খুন করেন পরিবারের সদস্যরা। 

 

পুলিশের ধারণা, প্রেম করে বিয়ের জন্য রাগ পুষে রেখেছিল তরুণীর পরিবার। খুনের পরেই অভিযুক্তরা পলাতক। এখনও কাউকে গ্রেপ্তার করা হয়নি। ঘটনাটি ঘিরে মামলা রুজু করে তদন্ত শুরু করেছে তারা।