রাজ্যে রাজ্যে এখন পুরনো মিটার বদলে বসানো হচ্ছে আধুনিক স্মার্ট প্রিপেইড মিটার। কিন্তু নতুন এই ব্যবস্থায় খেই হারাচ্ছেন বহু গ্রাহক।
2
10
ন্যূনতম টাকা বা ‘মিনিমাম ব্যালেন্স’ না রাখায় ইতিমধ্যেই অনেকের ঘরের আলো নিভেছে, কাটা পড়েছে বিদ্যুৎ সংযোগ।
3
10
আসলে কখন এবং কত টাকার রিচার্জ করতে হবে, তা নিয়ে এখনও ধোঁয়াশায় আমজনতা। অনেকেই নিয়মিত অ্যাপে ব্যালেন্স দেখছেন না, আবার টাকা শূন্যে ঠেকলেও রিচার্জ করার তাগিদ দেখাচ্ছেন না। আর তাতেই বাড়ছে বিপত্তি।
4
10
মোবাইলের মতো এই মিটারে আগে থেকে ঠিক করা কোনও ‘রিচার্জ প্ল্যান’ থাকে না। তাই আপনার পকেটের হিসাব আপনাকেই কষতে হবে। রিচার্জ করার আগে মাথায় রাখুন আপনার মাসের মোট বিদ্যুৎ খরচ কত।
5
10
নিয়ম হল, মাসে আপনার যা খরচ, রিচার্জের অঙ্ক হওয়া উচিত তার অন্তত দেড় থেকে দুই গুণ।
6
10
পকেট সচল রাখতে সময়মতো রিচার্জ করা জরুরি। এর জন্য বিদ্যুৎ দপ্তরের দেওয়া অ্যাপে নিয়মিত চোখ রাখুন। প্রতি ২৪ ঘণ্টায় এই অ্যাপের ব্যালেন্স আপডেট করা হয়।
7
10
ধরা যাক, আপনার প্রতিদিন গড়ে ১০০ টাকার বিদ্যুৎ লাগে। অ্যাপে যখনই দেখবেন আর মাত্র ৩০০ টাকা (অর্থাৎ ৩ দিনের খরচ) পড়ে রয়েছে, তখনই রিচার্জ করে নিন। তবে গরম বা ঠান্ডার মরশুমে এই খরচের অঙ্ক বদলাতেই পারে।
8
10
আপনার বাড়ির মাসিক বিদ্যুৎ বিল যদি গড়ে ১,০০০ টাকা হয়, তবে একবারে ১,৫০০ থেকে ১,৮০০ টাকার রিচার্জ করে রাখা ভালো। এতে যেমন আচমকা লাইন কেটে যাওয়ার ভয় থাকবে না, তেমনই প্রতি মাসে রিচার্জ করার ঝক্কিও কমবে।
9
10
অনেকেরই প্রশ্ন, ব্যালেন্স শূন্য পেরিয়ে মাইনাস বা নেগেটিভ জোনে চলে গেলে কী হবে? সোজা কথায়, ব্যালেন্স মাইনাস হওয়া মানে আপনি বিদ্যুৎ দপ্তরের থেকে ধারে বিদ্যুৎ ব্যবহার করছেন। এই অবস্থায় যে কোনও মুহূর্তে লাইনের সংযোগ কেটে যেতে পারে।
10
10
তাই ব্যালেন্স মাইনাসে নামলেই দ্রুত রিচার্জ করুন। এ ক্ষেত্রে রিচার্জের অঙ্কটি একটু বড় হতে হবে। যেমন, আপনার ব্যালেন্স যদি মাইনাস ৫০০ (-৫০০) টাকা দেখায়, তবে অন্তত ১,৫০০ টাকার রিচার্জ করুন। এতে বকেয়া ৫০০ টাকা কেটে নিয়ে আপনার অ্যাকাউন্টে ১,০০০ টাকা জমা থাকবে এবং ঘরের আলোও জ্বলবে নিশ্চিন্তে।