পশ্চিমবঙ্গের রেশন ব্যবস্থায় আরকেএসওয়াই-১ এবং আরকেএসওয়াই-২ দুই ধরনের কার্ডই দেখা যায়। কিন্তু দু’টির সুবিধা এক নয়। আপনার কাছে কোন কার্ড রয়েছে, তার উপর রেশন পাওয়ার ধরন নির্ভর করে।
2
9
আরকেএসওয়াই-১ হল পশ্চিমবঙ্গের খাদ্যসুরক্ষা ব্যবস্থার অন্তর্ভুক্ত এক ধরনের রেশন কার্ড। এই কার্ডের আওতায় থাকা উপভোক্তারা সরকারের নির্ধারিত নিয়ম অনুযায়ী খাদ্যশস্য পান।
3
9
আরকেএসওয়াই-২-ও রাজ্যের রেশন ব্যবস্থার আরও এক ধরন। তবে আরকেএসওয়াই-১-এর মতো একই পরিমাণ বা একই ধরনের খাদ্যশস্য এই কার্ডে পাওয়া যায় না। কার্ডের শ্রেণি অনুযায়ী রেশন পাওয়ার পরিমাণ আলাদা হয়।
4
9
আরকেএসওয়াই-১ ও আরকেএসওয়াই-২ কার্ডধারীদের জন্য রেশন সুবিধা এক নয়। তাই কার্ডের ধরন না জেনে নিজের প্রাপ্য রেশন সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া সম্ভব নয়।
5
9
আরকেএসওয়াই-১ কার্ডধারীদের জন্য নির্দিষ্ট পরিমাণ খাদ্যশস্য বরাদ্দ থাকে। সরকারের নির্ধারিত রেশন ব্যবস্থার মাধ্যমে কার্ডের আওতাভুক্ত সদস্যরা সেই খাদ্যশস্য পান। এর কার্ডে জনপ্রতি ২ টাকা কিলো দরে ২ কেজি চাল এবং ২ টাকা কিলো দরে ৩ কেজি গম দেওয়া হয়।
6
9
আরকেএসওয়াই-২ কার্ডধারীদের ক্ষেত্রেও সরকারি বরাদ্দ অনুযায়ী খাদ্যশস্য দেওয়া হয়। তবে আরকেএসওয়াই-১ এবং আরকেএসওয়াই-২-এর বরাদ্দের পরিমাণ ও কাঠামো এক নয়। আরকেএসওয়াই-২ কার্ডধারীদের জনপ্রতি ১ কেজি চাল এবং ১ কেজি গম দেওয়া হয়।
7
9
দুই কার্ডের বরাদ্দের তুলনা করলে পার্থক্য স্পষ্ট হয়। দুই কার্ডের মাথাপিছু বরাদ্দ খাদ্যশস্য নির্ধারিত থাকে। তাই শুধু কার্ডের নাম দেখে সুবিধা সম্পর্কে আন্দাজ করা ঠিক হবে না।
8
9
আপনার ডিজিটাল বা ফিজিক্যাল রেশন কার্ডে কার্ডের ক্যাটেগরি উল্লেখ থাকে। রেশন নেওয়ার সময়ও সংশ্লিষ্ট রেশন দোকানে কার্ডের শ্রেণি অনুযায়ী প্রাপ্যতা জানা যায়।
9
9
রেশন সংক্রান্ত বরাদ্দ ও সুবিধা সরকারের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী পরিবর্তিত হতে পারে। তাই পুরনো তালিকা বা সোশ্যাল মিডিয়ার তথ্যের বদলে রেশন কেন্দ্রে গিয়ে সরকারি তথ্য খতিয়ে দেখা জরুরি।