বিদ্যুৎ বিল আসার আগ পর্যন্ত বিল কত আসবে তা আপনি জানতে পারেন না৷ এই নিয়ে অনেকেই দুশ্চিন্তায় ভোগেন। কিন্তু এসব কিছু দূর করবে এবার প্রিপেইড স্মার্ট মিটার।
2
13
হঠাৎ মোটা অঙ্কের বিল দেখলে কপালে চিন্তার ভাঁজ পড়ে অনেকেরই। তবে সেই দুশ্চিন্তা থেকে এবার মুক্তি। রাজ্যে এবার প্রিপেইড স্মার্ট মিটার।
3
13
সম্প্রতি কেন্দ্রীয় বিদ্যুৎ ও নগরোন্নয়নমন্ত্রী মনোহরলাল খট্টর স্পষ্ট করে দিয়েছেন, পশ্চিমবঙ্গের সর্বত্র বসানো হবে এই স্মার্ট মিটার।
4
13
রাজ্যের বিদ্যুৎ বণ্টন সংস্থা WBSEDCL ইতিমধ্যেই প্রায় ৭ লক্ষ গ্রাহকের ঘরে এই মিটার বসিয়ে ফেলেছে। জুলাই মাস থেকে মোটামুটি এই কাজের গতি আরও বাড়ানোর পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে।
5
13
সাধারণত প্রতি মাসের শেষে বিদ্যুৎ ব্যবহার করার পর আমাদের কাছে বিল আসে। প্রতিদিন ঠিক কত টাকার বিদ্যুৎ খরচ হলো, তা সাধারণ মিটারে জানার সুযোগ থাকে না। স্মার্ট মিটারে সমস্ত হিসাব চোখের সামনে।
6
13
স্মার্ট মিটারের নিয়ম হলো- ব্যবহারের আগেই মোবাইল রিচার্জের মতো টাকা ভরতে হবে। ব্যালেন্স শেষ হয়ে গেলে আর রিচার্জ না করলে স্বয়ংক্রিয়ভাবেই বাড়ির বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যাবে।
7
13
বাড়িতে বসেই খুব সহজে মোবাইলের মাধ্যমে এটি রিচার্জ করা যায়। এর জন্য ফোনে WBSEDCL-এর ‘বিদ্যুৎ সহযোগী’ অ্যাপটি ডাউনলোড করতে হবে।
8
13
প্রথমে নিজের মোবাইল নম্বর দিয়ে লগ ইন করলে ফোনে একটি ওটিপি আসবে। ওটিপি জমা দিলেই স্ক্রিনে দেখা যাবে গ্রাহকের নাম ও কনজিউমার নম্বর।
9
13
এরপর ড্যাশবোর্ডে গিয়ে কারেন্ট ব্যালেন্স, দৈনিক বা মাসের মোট খরচের বিবরণ দেখে নেওয়া যাবে।
10
13
ইউপিআই (UPI) বা ডেবিট/ক্রেডিট কার্ডের মাধ্যমে ন্যূনতম ১০০ টাকা থেকে শুরু করে সুবিধা মতো রিচার্জ করা সম্ভব।
11
13
স্মার্ট মিটারের সবচেয়ে বড় সুবিধা হলো, প্রতিদিনের খরচের ওপর নজর রাখা যায়। ফলে বিদ্যুতের অপচয় কমিয়ে বাজেট নিয়ন্ত্রণে রাখা সম্ভব।
12
13
অন্যদিকে, এর সবচেয়ে বড় অসুবিধা হলো ব্যবহারের আগেই টাকা মেটাতে হবে। যাঁরা মাসের শেষে বিল দিতে অভ্যস্ত, তাঁদের ক্ষেত্রে কিছুটা সমস্যা হতে পারে।
13
13
এ ছাড়া, স্মার্টফোনের অভাব বা ডিজিটাল লেনদেনে অভ্যেস না থাকলে এই ব্যবস্থা পরিচালনা করা কিছুটা কঠিন হতে পারে।