জীবনের সবচেয়ে কঠিন মুহূর্তের মধ্য দিয়ে যাচ্ছেন বলিউড অভিনেতা সিদ্ধার্থ মালহোত্রা। দীর্ঘ অসুস্থতার পর গত ১৪ ফেব্রুয়ারি, দিল্লির বাড়িতেই ঘুমের মধ্যেই প্রয়াত হন তাঁর বাবা সুনীল মালহোত্রা। প্রাক্তন মার্চেন্ট নেভি ক্যাপ্টেনের মৃত্যুতে শোকস্তব্ধ পরিবার, স্তব্ধ অনুরাগীরাও।
2
8
খবর পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই স্ত্রী কিয়ারা আদবানি ও মেয়েকে নিয়ে তড়িঘড়ি দিল্লিতে পৌঁছে যান সিদ্ধার্থ। পরিবারের সঙ্গে বাবার শেষযাত্রায় উপস্থিত থাকেন তিনি। ঘনিষ্ঠজনদের মতে, পরিবারে সিদ্ধার্থের বাবার উপস্থিতি ছিল নীরব শক্তির মতো। শৃঙ্খলা, সততা ও দায়বদ্ধতার প্রতীক।
3
8
বাবার প্রয়াণের পর সমাজমাধ্যমে এক আবেগঘন পোস্টে তাঁকে স্মরণ করেছেন সিদ্ধার্থ। সেখানে তিনি লিখেছেন, তাঁর বাবা ছিলেন বিরল সততা ও নীতিবোধের মানুষ, যাঁর কাছ থেকেই জীবনের মূল্যবোধ শিখেছেন তিনি।
4
8
অভিনেতার কথায়, বাবার দেওয়া শিক্ষা, নম্রতা, অধ্যবসায় ও দায়িত্ববোধ আজও তাঁর পথ দেখায়। ব্যক্তিগত ক্ষতির মুহূর্তেও সেই শিক্ষাই তাঁকে শক্ত থাকতে সাহায্য করছে।এই পোস্ট মুহূর্তে ভাইরাল হয়ে যায়। সহকর্মী অভিনেতা, পরিচালক থেকে শুরু করে অনুরাগীরা। সকলেই সমবেদনা ও সমর্থনের বার্তা পাঠান।
5
8
সুনীল মালহোত্রার কর্মজীবন কেটেছে মার্চেন্ট নেভিতে। দীর্ঘদিন ক্যাপ্টেন হিসেবে দায়িত্ব সামলেছেন তিনি। তাঁর পেশাগত জীবন ছিল কঠোর শৃঙ্খলা ও কর্তব্যনিষ্ঠার উদাহরণ, যা ছেলে সিদ্ধার্থের জীবনদর্শনেও গভীর প্রভাব ফেলেছে।
6
8
বহু সাক্ষাৎকারে সিদ্ধার্থ বলেছেন, কঠিন পরিস্থিতিতে শান্ত থাকা এবং নিজের সীমা অতিক্রম করার শিক্ষা তিনি বাবার কাছ থেকেই পেয়েছেন।
7
8
২০২৫ সালে প্রথমবার বাবা হয়েছেন সিদ্ধার্থ। জীবনের নতুন অধ্যায়ের মাঝেই বাবাকে হারানোর এই আঘাত তাই আরও গভীর। নিজের বার্তায় তিনি লিখেছেন, শোক থাকলেও বাবার স্মৃতিকে তিনি শক্তি হিসেবে বয়ে নিয়ে যেতে চান।
8
8
বলিউডে সিদ্ধার্থের সহকর্মীরা এই কঠিন সময়ে তাঁর পাশে দাঁড়িয়েছেন। শিল্পীমহলের ঐক্যবদ্ধ সমবেদনা যেন প্রমাণ করে, শুধু অভিনেতা হিসেবেই নয়, মানুষ হিসেবেও সিদ্ধার্থের প্রতি রয়েছে গভীর শ্রদ্ধা।