ফের খবরের শিরোনামে জনপ্রিয় মদের ব্র্যান্ড ‘ওল্ড মঙ্ক’। ফুড সেফটি অ্যান্ড স্ট্যান্ডার্ডস অথরিটি অফ ইন্ডিয়া (FSSAI) এবং ওল্ড মঙ্কের প্রস্তুতকারক সংস্থা মোহন রকি স্প্রিংওয়াটার প্রাঃ লিঃ-এর বিবাদ গড়িয়েছে আদালত পর্যন্ত। জল গড়িয়েছে বম্বে হাইকোর্টে।
2
9
খাদ্য সুরক্ষা নিয়ামক সংস্থা FSSAI সোমবার আদালতকে স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছে, বোতলের গায়ে ‘রাম’ লেখার বদলে যদি ‘রামের মতো’ (Rum Like) বা ‘ফ্লেভারড স্পিরিট’ লেখা হয়, তবেই এই পানীয় বিক্রির অনুমতি দেওয়া হবে।
3
9
হাইকোর্টে সওয়াল-জবাব চলাকালীন FSSAI-এর পক্ষে অতিরিক্ত সলিসিটর জেনারেল অনিল সিং জানান, ওল্ড মঙ্ক তৈরি করতে যে নিউট্রাল স্পিরিট ব্যবহার করা হয়, তার সঙ্গে রামের কৃত্রিম সুবাস বা ফ্লেভার মেশানো থাকে।
4
9
এর ফলে পানীয়টির মূল গঠন ঢাকা পড়ে যায়। ক্রেতাদের কাছে এটি বিভ্রান্তিকর হতে পারে। তাই নিয়ামক সংস্থার সাফ কথা- লেবেলে ‘রাম-সদৃশ’ বা ‘ফ্লেভারড স্পিরিট’ লিখতে সম্মত হলে তবেই বাজারে বিক্রির সবুজ সঙ্কেত মিলবে।
5
9
অন্য দিকে, প্রস্তুতকারক সংস্থার তরফে আইনজীবী ভেঙ্কটেশ ধোন্দ আদালতকে জানান, শুধুমাত্র মহারাষ্ট্রের থানে জেলা ইউনিটে এই বিক্রির উপর নিষেধাজ্ঞা চাপানোয় সংস্থার মারাত্মক আর্থিক ক্ষতি হয়েছে।
6
9
তাঁর দাবি, প্রায় ৫০০ কোটি টাকারও বেশি বাণিজ্যিক ক্ষতির মুখে পড়েছে সংস্থাটি। একই সঙ্গে মহারাষ্ট্র সরকারের আবগারি দপ্তরেরও প্রায় ৩৫০ কোটি টাকার রাজস্ব ক্ষতি হয়েছে।
7
9
আইনজীবীর আরও অভিযোগ, দেশের অন্যান্য রাজ্যে যেখানে ওল্ড মঙ্ক স্বাভাবিক ভাবেই বিক্রি হচ্ছে, সেখানে শুধু মহারাষ্ট্রেই কেন এই নিষেধাজ্ঞা? এই টানাপোড়েনে প্রায় ৩০০ জন কর্মী কাজ হারানোর আশঙ্কায় রয়েছেন বলেও তিনি আশঙ্কা প্রকাশ করেন।
8
9
প্রস্তুতকারক সংস্থার যুক্তিতে বলা হয়েছে, সরকারি সমস্ত নিয়ম মেনেই এতে অনুমোদনযোগ্য উপাদান ও নিউট্রাল স্পিরিট ব্যবহার করা হয়। বাজারে অন্য প্রতিযোগী সংস্থাগুলিও একই প্রক্রিয়ায় পানীয় তৈরি করছে। তা সত্ত্বেও কেবল ওল্ড মঙ্ককে নিশানা করা হচ্ছে কেন, সেই প্রশ্ন তুলেছেন তাঁরা।
9
9
আপাতত দুই পক্ষের এই আইনি লড়াইয়ের জেরে ওল্ড মঙ্কের ভবিষ্যৎ এবং নাম নিয়ে অনিশ্চয়তা তুঙ্গে।