অনেক কর্মচারীর ধারণা, বেতন থেকে যদি প্রতি মাসে পিএফ কাটা হয়, তাহলে সেই টাকা স্বয়ংক্রিয়ভাবে ইপিএফ অ্যাকাউন্টে জমা হয়ে যায়। কিন্তু বাস্তবে সবসময় এমনটা নাও হতে পারে।
2
11
নিয়ম অনুযায়ী, ইপিএফ আওতাভুক্ত সংস্থাগুলিকে প্রতি মাসে কর্মচারীর পিএফের অংশ এবং নিয়োগকর্তার অংশ মিলিয়ে নির্দিষ্ট সময়ে ইপিএফও-তে জমা করতে হয়।
3
11
তবে অনেক কর্মী নিয়মিত নিজের ইপিএফ অ্যাকাউন্ট পরীক্ষা করেন না। ফলে কোনও মাসে নিয়োগকর্তা পিএফ জমা না করলে বা দেরি হলে তা অনেক সময় নজরে আসে না। অথচ কয়েক মিনিটের মধ্যেই অনলাইনে ইপিএফ পাসবুক দেখে এই বিষয়টি যাচাই করা সম্ভব।
4
11
নিজের ইপিএফ অ্যাকাউন্টে টাকা জমা হচ্ছে কি না দেখতে পাসবুক পরীক্ষা করতে হবে। সেখানে কয়েকটি ধাপ আপনাকে পার করতে হবে।
5
11
প্রথম ধাপ: ইপিএফও মেম্বার পাসবুক পোর্টালে যেতে হবে। দ্বিতীয় ধাপ: নিজের ইউএএন এবং পাসওয়ার্ড দিয়ে লগ ইন করতে হবে।
6
11
তৃতীয় ধাপ: প্রয়োজন হলে রেজিস্টার করা মোবাইল নম্বরে আসা ওটিপি দিয়ে যাচাই করতে হবে। চতুর্থ ধাপ: নিজের মেম্বার আইডি নির্বাচন করতে হবে। পঞ্চম ধাপ: এবার মাস অনুযায়ী কর্মচারীর পিএফ অবদান, নিয়োগকর্তার পিএফ অবদান এবং পেনশন অবদানের তথ্য দেখা যাবে।
7
11
কর্মীদের উচিত প্রতি মাসে স্যালারি স্লিপে দেখানো পিএফ কাটার পরিমাণের সঙ্গে ইপিএফ পাসবুকের তথ্য মিলিয়ে দেখা। সাধারণত কর্মচারীর পিএফ অবদান বেতন স্লিপে দেখানো পিএফ কাটার পরিমাণের সঙ্গে মিলে যাওয়ার কথা।
8
11
অনেক সময় পাসবুকে সর্বশেষ মাসের জমা দেখা যায় না। এর কয়েকটি কারণ হতে পারে। নিয়োগকর্তা এখনও ইসিআর জমা করেননি। পিএফের টাকা প্রক্রিয়াকরণের মধ্যে রয়েছে। পাসবুক আপডেট হতে সাময়িক দেরি হচ্ছে।
9
11
যদি নিজের স্যালারি স্লিপে পিএফ কাটার তথ্য থাকে, কিন্তু ইপিএফ অ্যাকাউন্টে সেই টাকা জমা না হয়, তাহলে প্রথমে সংস্থার নিয়োগকর্তার সঙ্গে যোগাযোগ করতে হবে।
10
11
যদি সমস্যা সমাধান না হয়, তাহলে ইপিএফও-তে অভিযোগ জানানোর পোর্টালে অভিযোগ করা যেতে পারে অথবা সংশ্লিষ্ট আঞ্চলিক ইপিএফও অফিসে যোগাযোগ করা যেতে পারে। সেখানে নিজের অভিযোগ জানাতে পারেন।
11
11
ইপিএফ হল কর্মীদের দীর্ঘমেয়াদি আর্থিক নিরাপত্তার একটি গুরুত্বপূর্ণ মাধ্যম। তাই শুধু বেতন থেকে পিএফ কাটছে কি না দেখলেই হবে না, সেই টাকা সত্যিই ইপিএফ অ্যাকাউন্টে জমা হচ্ছে কি না, সেটিও নিয়মিত যাচাই করা প্রয়োজন।