ছুটির মরসুমে দিঘায় সমুদ্রসৈকতে এই দৃশ্য প্রায়শই দেখা যায়। অনেকেই ছুটির দিন ও ভিড়ের সময়ে কিছু পর্যটক মদ্যপ হয়ে সৈকতে অসভ্যতা ও গোলমাল করেন।
2
10
এমনকি নেশাগ্রস্ত অবস্থায় উত্তাল সমুদ্রে স্নান করতে নেমে প্রায়শই বিপত্তি বা প্রাণহানির ঘটনা ঘটে। এছাড়াও পরিবেশ দূষণের বিষয়টিও আছে। এর ফলে সাধারণ মানুষের স্বাচ্ছন্দ্য বিঘ্নিত হয়।
3
10
শনিবার দিঘা স্টেট জেনারেল হাসপাতাল পরিদর্শনে এসেছিলেন রাজ্যের স্বাস্থ্যমন্ত্রী শারদ্বত মুখার্জি। সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে দিঘার সমুদ্রেসৈকতে মদ্যপানের বিষয়ে সরব হন।
4
10
তিনি বলেন, “মদ্যপান, তামসিক দ্রব্য তট এবং তট সংলগ্ন এলাকায় নিষিদ্ধ করে দেওয়া উচিত। পুরো দিঘায় তট সংলগ্ন এলাকায় মদ্যপান করে সমুদ্রে নামা অপরাধ।”
5
10
তিনি আরও বলেন, “নিজে মদ খেয়ে জলে নেমে ডুবে গেলাম, বাড়ির লোকের দোষ কী ছিল? আরও একটা প্রবণতা দেখা যায়, ডাবের জলে মদ মেশানো, জলের মধ্যে মদ মেশাতে দেখা যায়।”
6
10
তাঁর হুঁশিয়ারি, “এগুলি আমরা জানি। সবাইকে বলে দেবেন যে স্বাস্থ্যমন্ত্রী এগুলি সব জানেন। জলে মদ মেশানো, ঠান্ডা পানীয়ের সঙ্গে মদ মেশানো ইত্যাদি বিষয়ে পুলিশ প্রশাসনকে নজর রাখতে বলা হয়েছে।”
7
10
তাঁর সংযোজন, “দরকারে ব্রেথ অ্যানালাইজার টেস্ট করার নির্দেশ দেওয়া হবে তটবর্তী এলাকায়। শীঘ্রই এই পদক্ষেপগুলি করা হবে। জেলাশাসকের সঙ্গে কথা বলে এই বিষয়ে পদক্ষেপ নিশ্চিত করা হবে।”
8
10
এর পাশাপাশি দিঘার সমুদ্রে ‘ড্রেস কোড’ চালু করার পরামর্শও দিয়েছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী। দিঘায় পর্যটকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সমুদ্রস্নানের ক্ষেত্রে নতুন নির্দেশিকা আনার কথা জানিয়েছেন রাজ্যের স্বাস্থ্যমন্ত্রী।
9
10
শারদ্বত বলেন, “অনেকেই শাড়ি বা সালোয়ার-কামিজ পরে স্নান করেন, যা দুর্ঘটনার ঝুঁকি বাড়াতে পারে। তাই নিরাপত্তার স্বার্থে স্যুইমস্যুট বা সমুদ্রস্নানের উপযোগী পোশাক ব্যবহারের পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে।” তবে শাড়ি বা সালোয়ার-কামিজ পরা নিষিদ্ধ করা হচ্ছে না বলেও তিনি স্পষ্ট করেন।
10
10
সমুদ্রতটের প্রতি ১০০ মিটার অন্তর প্রশিক্ষিত বিশেষজ্ঞ মোতায়েন এবং পর্যটকদের জন্য আরও উন্নত লাইফগার্ডিং ব্যবস্থা গড়ে তোলার পরিকল্পনা রয়েছে বলেও জানিয়েছেন মন্ত্রী।