আজকের দিনে আমরা প্রায় সব কিছুই অন্যদের সঙ্গে ভাগ করে নিতে অভ্যস্ত। সোশ্যাল মিডিয়া, হোয়াটসঅ্যাপ বা আড্ডায় নিজের সুখ-দুঃখ, পরিকল্পনা, ব্যক্তিগত সমস্যা-সবই বলে ফেলি। কিন্তু জ্যোতিষশাস্ত্র মতে, কিছু বিষয় গোপন রাখতে পারলেই মানসিক শান্তি, সৌভাগ্য ও সাফল্য বজায় থাকে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, অতিরিক্ত শেয়ার করা অনেক সময় নিজের ক্ষতিই ডেকে আনে।
2
9
জ্যোতিষ মতে, প্রথমেই যেটি গোপন রাখা দরকার, তা হল নিজের ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা ও বড় লক্ষ্য। আপনি কী করতে চান, কীভাবে সাফল্য পেতে চান-সব কথা আগেভাগে সবাইকে জানালে ঈর্ষা, নেতিবাচক মন্তব্য বা বাধা আসতে পারে। অনেক সময় পরিকল্পনা বাস্তবায়নের আগেই ভেঙে পড়ে।
3
9
এরপর আসে অর্থসংক্রান্ত বিষয়। নিজের আয়, সঞ্চয়, ব্যাঙ্ক ব্যালান্স, ঋণ বা বিনিয়োগের কথা অহেতুক অন্যদের জানানো উচিত নয়। জ্যোতিষ মতে, অর্থের বিষয়ে বেশি মুখ খুললে কুনজর বা নেতিবাচক শক্তির প্রভাব পড়তে পারে। বাস্তব জীবনেও এতে সমস্যা তৈরি হওয়ার আশঙ্কা থাকে।
4
9
সম্পর্কের সমস্যাও সব সময় বাইরে বলা ঠিক নয়। স্বামী-স্ত্রী, প্রেমিক-প্রেমিকা বা পরিবারের ঝামেলা সবাইকে জানালে সমস্যা মেটে না, বরং জটিল হয়। বাইরের লোকের মতামত অনেক সময় সম্পর্কের ক্ষতি করে। তাই সম্পর্কের সমস্যা হলে বিশ্বাসযোগ্য একজন বা পেশাদারের সঙ্গে কথা বলাই ভাল।
5
9
নিজের দুর্বলতা, ভয় বা ব্যর্থতার গল্পও খুব বেছে বেছে বলা উচিত। সবাই আপনার ভালো চায় না-এটা মাথায় রাখা দরকার। জ্যোতিষ মতে, নিজের দুর্বলতা গোপন রাখলে মানসিক শক্তি বাড়ে এবং আত্মবিশ্বাস বজায় থাকে।
6
9
অনেকেই ভাল কাজ বা দানের কথা প্রকাশ্যে বলেন। কিন্তু শাস্ত্র মতে, নিঃশব্দে করা ভাল কাজের ফল বেশি পাওয়া যায়। ঢাকঢোল পিটিয়ে সাহায্য করলে তার পুণ্য কমে যায় বলে বিশ্বাস।
7
9
এছাড়া নিজের ধ্যান, প্রার্থনা বা আধ্যাত্মিক অভ্যাসও ব্যক্তিগত রাখাই ভাল। এগুলো মনের শক্তি বাড়ায়, তাই গোপন থাকলে তার প্রভাব আরও গভীর হয়।
8
9
সবশেষে, পারিবারিক বিষয় যেমন ঝগড়া, মতভেদ বা ঘরোয়া সমস্যা-বাইরের লোকের কাছে না বলাই শ্রেয়। ঘরের সমস্যা ঘরেই মেটালে পরিবারে শান্তি থাকে।
9
9
জ্যোতিষ মতে, এই সব বিষয় গোপন রাখাই জীবনের ভারসাম্য, সাফল্য ও মানসিক শান্তির চাবিকাঠি।