আরব সাগরে লক্ষ ঢেউ। কোনও ঢেউ ভাঙে, কোন ঢেউ গড়ে... জানতে পারেন কেউ? মায়ানগরীর আনাচেকানাচে গুনগুন ফিসফাস। খবরের কানাকানিতে থমকে বাতাস। সারা দিনের খবরাখবর শেষবেলায় আজকাল ডট ইনের পাতায়...
সোহেলের বিচ্ছেদের কারণ সামনে আনলেন সলমন
ভাই সোহেল খান ও তাঁর প্রাক্তন স্ত্রী সীমা সাজদেহের বিবাহবিচ্ছেদ নিয়ে মুখ খুললেন সলমন খান। এক অনুষ্ঠানে এই প্রসঙ্গে কথা বলতে গিয়ে ভাইজান জানান, বিচ্ছেদের জন্য যেন সোহেল নিজেকে একা দায়ী না করেন। তাঁর মতে, একটি সম্পর্ক ভেঙে যাওয়ার পেছনে সাধারণত অনেক কারণ থাকে। সবসময় একজন মানুষকে দায়ী করা ঠিক নয়। সলমান ইঙ্গিত দেন, সোহেল ও সীমার সম্পর্কের সমস্যা একটি নির্দিষ্ট ঘটনার পর ধীরে ধীরে বাড়তে শুরু করেছিল। একটি ছবি থেকেই নাকি পরিস্থিতি বদলাতে শুরু করে। এরপর বিষয়টি এমন জায়গায় পৌঁছয়, যেখানে চাইলেও আর সবকিছু আগের মতো করা সম্ভব হয়নি। তবে সলমন এও জানান, সোহেল সম্পর্ক বাঁচানোর জন্য যথেষ্ট চেষ্টা করেছিলেন। সোহেল ও সীমার বিয়ে হয়েছিল ১৯৯৮ সালে। দীর্ঘ প্রায় ২৪ বছর একসঙ্গে থাকার পর ২০২২ সালে তাঁরা আলাদা হওয়ার সিদ্ধান্ত নেন। তাঁদের বিচ্ছেদ নিয়ে সেই সময় অনেক আলোচনা হয়েছিল। বর্তমানে তাঁরা সন্তানদের কথা মাথায় রেখে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক বজায় রেখেছেন।
ব্যক্তিগত পরিচয়ের অপব্যবহার রুখতে আদালতের দ্বারস্থ তাবু
দিল্লি হাইকোর্টের দ্বারস্থ হলেন তাবু। অনুমতি ছাড়া তাঁর ব্যক্তিগত পরিচয় ও জনপ্রিয়তাকে ব্যবহার করা হচ্ছে, এই অভিযোগ তুলে আদালতের কাছে আইনি সুরক্ষা চেয়েছেন অভিনেত্রী। বর্তমানে সোশ্যাল মিডিয়া ও ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মের যুগে অনেক সময় তারকাদের ছবি, নাম, কণ্ঠস্বর বা পরিচয় তাঁদের অনুমতি ছাড়াই ব্যবহার করা হয়। কখনও বিজ্ঞাপন, কখনও পণ্য প্রচার বা অন্য কোনও বাণিজ্যিক কাজে তাঁদের জনপ্রিয়তাকে কাজে লাগানোর অভিযোগ ওঠে। এই ধরনের ব্যবহার আটকাতেই তাবু আদালতের সাহায্য চেয়েছেন বলে জানা গিয়েছে।
ছুটি শেষে ফিরলেন অভিষেক-ঐশ্বর্যা, বিমানবন্দরে আরাধ্যার ‘নমস্তে’ –তে মুগ্ধ অনুরাগীরা
ছুটি কাটিয়ে দেশে ফিরলেন অভিষেক বচ্চন ও ঐশ্বর্যা রাই বচ্চন। তাঁদের সঙ্গে ছিল মেয়ে আরাধ্যা বচ্চনও। বিমানবন্দরে তাঁদের দেখেই পাপারাজ্জিরা ছবি ও ভিডিও তুলতে শুরু করেন। তবে এবার সবচেয়ে বেশি নজর কেড়েছে আরাধ্যার ছোট্ট একটি আচরণ।বিমানবন্দরে উপস্থিত ফটোগ্রাফারদের দেখে আরাধ্যা হাত জোড় করে ‘নমস্তে’ জানায়। তার এই ভদ্রতা ও মিষ্টি ব্যবহার দেখে মুগ্ধ হয়েছেন নেটাগরিকরা। এদিন মা-মেয়ের পোশাকে ছিল বিশেষ মিল। ঐশ্বর্যা ও আরাধ্যা দু’জনকেই দেখা যায় কালো রঙের পোশাকে। ঐশ্বর্যা ছিলেন স্টাইলিশ লুকে, অন্যদিকে আরাধ্যাকেও মায়ের সঙ্গে মানানসই পোশাকে বেশ সুন্দর লাগছিল। অভিষেক বচ্চনকেও দেখা যায় সাধারণ কিন্তু স্মার্ট ক্যাজুয়াল পোশাকে। বিমানবন্দরে বচ্চন পরিবারের এই উপস্থিতি মুহূর্তেই সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়ে যায়।
















