ফুলশয্যার সাজানো খাট ছেড়ে মেঝেতে মাদুর পেতে শুতে যায় স্বামী। নতুন বউকে কাছে ঘেঁষতে দেন না। বিয়ের পরেই কি দূরত্ব তৈরি হল তাদের মধ্যে! ভাবছেন কাদের কথা বলছি? আসলে এসব পুরোটাই ঘটেছে ছোটপর্দায়। সদ্য প্রকাশ্যে এসেছে জি বাংলার ধারাবাহিক 'সাত পাকে বাঁধা'র নতুন প্রোমো। 

সেখানে দেখা যাচ্ছে, বিয়ের পরে শাওনকে নিয়ে বাড়িতে ঢুকতে না ঢুকতেই তুমুল অশান্তি শুরু শুভর পরিবারে। মা,বোন, দিদি সবাই শুভকে ভুল বোঝে, স্বার্থপর ভাবে। কিন্তু শুভর পাশে দাঁড়ায় তার বাবা। সে-ই একমাত্র ছেলের পরিস্থিতিটা বুঝতে পারে‌। আসলে শুভ শাওনকে ভালবাসলেও তাকে বলতে পারেনি। কারণ, শাওনের বাবার ড্রাইভার সে। তাই সাহস হয়নি মালিকের মেয়েকে ভালবাসার কথা বলার। এদিকে, শাওন মনে মনে শুভকে ভালবেসে ফেলে, সে-ও বলতে পারেনি মুখ ফুটে। এর মধ্যেই পিসির চক্রান্তে শাওনের বিয়ে ঠিক হয়। আর সেই বিয়ে করবে না বলেই সে শুভর সঙ্গে বিয়ে করে, তাকে বলে এই বিয়ে মিথ্যে, তবুও জীবনে ভুল সিদ্ধান্ত নেওয়ার থেকে এই রাস্তাই বেছে নিতে চায় সে। শাওনকে বিপদ থেকে বাঁচাতে শুভও রাজি হয়। কিন্তু সেসব তো বাড়ির লোক জানে না। তারা শুভ ও শাওনকে ভুল বোঝে।

এদিকে, ফুলশয্যার রাতে শুভ খাটের বদলে মেঝেতে মাদুর পেতে শুতে যায়। শাওন তার জন্য রীতি মেনে দুধের গ্লাস নিয়ে এলে  শুভ সেটা ছুড়ে ফেলে দেয়। জানায়, এই মিথ্যে বিয়ে সে মানে না। শাওনের জন্য পরিবারের কাছে সে ছোট হয়েছে বলেও জানায়। এমনকী কোনওদিন শাওনকে সে স্ত্রীর মর্যাদা দিতে পারবে না বলে। শুভর মুখে এই কথা শুনে খুব কষ্ট পায় শাওন। বিয়ের পরেই কি ভেঙে যাবে তাদের সম্পর্ক? কী হতে চলেছে ধারাবাহিকের আগামী পর্বে? উত্তরের অপেক্ষায় দর্শক মহল।