রাজনৈতিক হিংসা ছড়ানোর অভিযোগ উঠল অভিনেতা পরমব্রত চট্টোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে। ২০২১ সালে ২ মে পশ্চিমবঙ্গে নির্বাচনের ফলপ্রকাশ হয়৷ ওইদিন পরমব্রত টুইট করেছিলেন "আজ বিশ্ব রগড়ানি দিবস হিসাবে ঘোষিত হোক।" এই টুইটটি পুনরায় শেয়ার করে স্বস্তিকা মুখার্জি লেখেন," হাহাহা হোক হোক৷"
ভোট পরবর্তী হিংসায় উস্কানিমূলক মন্তব্যের জন্য প্ররোচনা দেওয়ার অভিযোগ করেছেন কলকাতা হাইকোর্টের আইনজীবী জয়দীপ সেন।
গড়িয়াহাট থানায় অভিযোগ জানিয়েছেন আইনজীবী জয়দীপ সেন৷ অভিযোগকারীর মতে, খ্যাতনামী ব্যক্তিরা এই ধরনের মন্তব্য করলে কার্যত রাজনৈতিক হিংসায় প্ররোচনা দেওয়া হয়৷ এই আচরণ ভারতীয় দণ্ডবিধির ১০৭ ধারায় অপরাধ হিসাবে গণ্য হতে পারে৷ গড়িয়াহাট থানায় অভিযোগ জানিয়ে পূর্ণাঙ্গ তদন্ত দাবি করেছেন আইনজীবী জয়দীপ সেন।
বিধায়ক তরুণজ্যোতি তিওয়ারিও পরমব্রতর টুইট নিয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় প্রশ্ন তুলেছিলেন। তরুণজ্যোতি তিওয়ারির প্রশ্নের উত্তরে পরমব্রত আজকাল ডট ইন-কে জানিয়েছিলেন, "অন্য কেউ এই ধরনের প্রশ্ন করলে উত্তর দিতাম না৷ তরুণজ্যোতি তিওয়ারি জনগণের রায়ে নির্বাচিত একজন জনপ্রতিনিধি, সেই পদকে সম্মান জানিয়ে প্রশ্নগুলির উত্তর দিচ্ছি. আমি ২০২১ সালে ওই টুইট করেছিলাম কারণ ২০২১ সালে নিবার্চনের আগে মাননীয় শ্রী দিলীপ ঘোষ শিল্পীদের প্রসঙ্গে একটি কথা বলেছিলেন৷ শিল্পীদের একটু রগড়ে দিলেই হয়৷ সকলেই জানেন আমি কতটা ভাল রগড়াই৷ এই কথায় একজন শিল্পী হিসাবে আমি অপমানিত বোধ করেছিলাম৷ তাই ২০২১ সালে নির্বাচনে বিজেপির পরাজয়ের পরে আমি টুইটটি করেছিলাম৷"
চিঠির বয়ান অনুযায়ী, ওই সময় পশ্চিমবঙ্গের বিভিন্ন জায়গায় বিজেপি কর্মীরা আক্রান্ত হয়েছিলেন৷ বেলেঘাটার অভিজিৎ সরকারের হত্যাকাণ্ডের উল্লেখও করা হয়েছে অভিযোগপত্রে৷ এই ঘটনা নিয়ে ইতিমধ্যে চর্চা শুরু হয়েছে৷ পরমব্রত চট্টোপাধ্যায় এবং স্বস্তিকা মুখার্জির সঙ্গে যোগাযোগ করার চেষ্টা করা হয়েছিল৷ তাঁদের তরফে কোনও প্রতিক্রিয়া এখনও পর্যন্ত পাওয়া যায়নি।















