দিপ্সীতা ধর

প্রার্থী সম্পর্কে: বাম পরিবারে জন্ম। ছাত্র রাজনীতিতে জড়িয়ে পড়া। দিল্লির জওহরলাল নেহরু বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্র রাজনীতিতে সরাসরি যুক্ত ছিলেন তিনি। যে সময়ে জেএনইউ-এ দেশ বিরোধী আন্দোলনের তকমা দেওয়া হয় ছাত্রদের, সেই সময়ে তিনি সেখানকার পড়ুয়া। তারপর রাজ্যের সংসদীয় রাজনীতিতে যোগ দেন। একাধিকবার ভোটে লড়েছেন তিনি। এবারে তিনি দমদম উত্তর কেন্দ্র থেকে ভোটে লড়ছেন। সম্প্রতি শেষ করেছেন পিএইচডি, গান গাইতে ভালবাসেন, কেউ তাঁকে বর্তমান সিপিএমের পোস্টার গার্ল বলছে।
এই আসনের প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বীরা: চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য।
লিঙ্গবৈষম্য বিরোধী আন্দোলনের মুখ
বারবার তিনি লিঙ্গবৈষম্য বিরোধী অবস্থান নিয়েছেন। ছাত্র রাজনীতির সময় থেকেই তিনি নারী অধিকার, তৃতীয় লিঙ্গের মানুষের অধিকার নিয়ে কথা বলে এসেছেন। একাধিক জাতীয় ও আন্তর্জাতিক স্তরের সংবাদমাধ্যমে তাঁকে এই নিয়ে কথা বলতে শোনা গিয়েছে।
প্রাতঃরাশে পাতে কী?
মুড়ি, ছোলা, মটর, শশা, পেঁয়াজ।
নেতার প্রিয় অভিনেতা?
শাহরুখ খান।
নেতার প্রিয় গায়ক?
আমার দাদা শোভন গাঙ্গুলি।
ভাষণের বাইরে পড়েন যাঁকে?
অরুন্ধতী রায়।
লাল বাড়ির ইতিহাস
দিপ্সীতার পরিবারের বাম রাজনীতির একটা ইতিহাস রয়েছে। ওঁর ঠাকুরদা পদ্মনিধি ধর হাওড়ার ডোমজুড়ের বিধায়ক ছিলেন। তিনবারের জন্য তিনি বিধায়ক নির্বাচিত হন। সেই পরিবারের সদস্য দিপ্সীতা। স্বাভাবিক ভাবে তাঁর পারিবারিক ইতিহাসেও বাম রাজনীতির ঐতিহ্য রয়েছে। আর বর্তমানে সেই ঐতিহ্যই বয়ে নিয়ে চলেছেন তিনি।
সোশ্যালে মশাল
দিপ্সীতা ধরের সোশ্যাল মিডিয়ার জনপ্রিয়তা পৃথিবীর যে কোনও অংশের রাজনীতিকদের ঈর্ষার কারণ হতে পারে। প্রচার শুরুর আগে বা পরে, তাঁর ফেসবুক, ইনস্টাগ্রামে সাধারণ বাম সমর্থকদের সাড়া সবসময়েই বিপুল থাকে। ভোটের প্রচারেও সেই ছবি ধরা পড়েছে। সোশ্যাল মিডিয়ায় তিনি বামেদের জনপ্রিয়তম মুখ, সে কথা বললেও বোধহয় ভুল বলা হবে না।
নেতা যখন ভবঘুরে..
সমুদ্র।
রঙচঙে নেতা
লাল, কালো, গাঢ় বেগুনি।
সবসময়ের সঙ্গী
ওডোমস (আপাতত)।






