আজকাল ওয়েবডেস্ক: তোলাবাজি নিয়ে বিজেপি নেতা কর্মীদের সতর্ক করেছেন দলের রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য। যা নিয়ে জোর চর্চা। এবার বিজেপি-তে 'বেনো জল' ঢোকা নিয়ে মুখ খুললেন রাজ্যের পঞ্চায়েত মন্ত্রী দিলীপ ঘোষ। এ রাজ্যে বিজেপির প্রাক্তন সভাপতির সাফ কথা, "আমরাও জানি কে কার সঙ্গে কেন ঘুরছে। পার্টিতে এইসব লোকের এন্ট্রি হবে না। পার্টি সতর্ক আছে।"

পশ্চিমবঙ্গে প্রথম বিজেপি সরকার গঠনের তিন মাসও পেরোয়নি। তার মধ্যেই দলের নাম ভাঙিয়ে বিভিন্ন জায়গায় তোলাবাজির অভিযোগ উঠছে। যা নিয়ে কঠোর বার্তা দিয়েছেন দলের রাজ্য সভাপতি। শমীক বাবু স্পষ্ট জানিয়ে দেন, "এই প্রবণতা বরদাস্ত করা হবে না।" আগামী ১৫ দিনের মধ্যে পরিস্থিতির পরিবর্তন না হলে কড়া ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও হুঁশিয়ারি দেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি।

দলে 'বেনো জল' রুখতে শুরু থেকেই সতর্ক বিজেপি নেতৃত্ব। এই ইস্যুতে এদিন দিলীপ ঘোষ বলেন, "শমীক ভট্টাচার্য বলেছেন পার্টির লোকেরা ঘনিষ্ঠতা বাড়াচ্ছে ওদের সঙ্গে। আশেপাশে বহু লোক আছে কোটি কোটি টাকা নিয়ে বিজেপিতে ঢোকার জন্য রেডি হয়ে আছে। টাকা সবার ভাল লাগে। কিন্তু এখনও পার্টি এদের ঢুকতে দেয়নি। আমরাও জানি কে কার সঙ্গে কেন ঘুরছে। পার্টিতে এইসব লোকের এন্ট্রি হবে না। পার্টি সতর্ক আছে।"

দিলীপ ঘোষের সংযোজন, "পার্টির শৃঙ্খলা কেউ ভাঙছে কিনা সেটা দেখার জন্য কমিটি আছে। বাইরে কিছু করলে পুলিশ আছে। আমাদের যদি কোনও লোক এই ধরনের উল্টোপাল্টা কাজে যুক্ত হয় সাধারন মানুষের কমপ্লেন করার অধিকার আছে। পার্টির কাছে জানানোর অধিকার আছে। আমরা আড়াইশো লোককে সাসপেন্ড করেছি। এই প্রক্রিয়া চলবে। পার্টির সিস্টেম আছে। কাউকে নেওয়া হবে না। প্রেসিডেন্ট বলে দিয়েছে। রোজ হাজার হাজার লোক আসছে। কাউকে নেওয়া হয়নি। বিজেপি গোটা দেশে ক্ষমতায় আছে।"

ক্ষমতা হারানোর পর তৃণমূলের ভাঙনকে কটাক্ষ করে পঞ্চায়েত মন্ত্রীর দাবি, "সব জায়গায় দুর্নীতি ছিল। নেতারা জেলে গেছেন। কিন্তু বিজেপি ডুবে গেছে এই কথা কেউ বলতে পারবে না। এটা ঠিক যে আমরা একটা অদ্ভুত পরিস্থিতির মধ্যে দিয়ে যাচ্ছি। কিন্তু নিয়মিত সর্ব স্তরের মিটিং এবং প্রশিক্ষণ চলছে। সব পার্টিতে ভাল মন্দ লোক থাকে। কিছু কিছু খারাপ থাকে। ওটা দিয়ে বিজেপি-কে চেনা বা বিচার করা যায় না।"