আজকাল ওয়েবডেস্ক: বরানগর উপনির্বাচনে বাম প্রার্থী সিপিএমের তন্ময় ভট্টাচার্য। বুধবার বামফ্রন্টের তরফে এই ঘোষণা করা হয়েছে। সেইসঙ্গে রাজ্যে একটি লোকসভা আসনে প্রার্থী বদল করেছে বামেরা। বারাসতে বাম প্রার্থী ফরোয়ার্ড ব্লকের প্রবীর ঘোষের নাম এর আগে ঘোষণা করা হলেও এদিন বামেদের তরফে জানানো হয়েছে তাঁর জায়গায় প্রার্থী করা হল সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়কে। অন্যদিকে জয়নগর (এসসি) আসনটি আরএসপি"র দাবি মতো তাঁদেরই দেওয়া হয়েছে। প্রার্থী হয়েছেন সমরেন্দ্রনাথ মণ্ডল।
বরানগর বিধানসভা আসনটি একসময় বাম দূর্গ বলে পরিচিত থাকলেও ২০১১ সাল থেকেই আসনটি তৃণমূল কংগ্রেসের দখলে চলে যায়। গত বিধানসভা নির্বাচনেও জিতেছিলেন তৃণমূলের তাপস রায়। লোকসভা ভোট ঘোষণার আগে বিধায়ক পদ ছেড়ে তাপস বিজেপিতে যোগ দিলে আসনটি ফাঁকা হয়। তাপসকে বিজেপি উত্তর কলকাতা লোকসভা কেন্দ্রের প্রার্থী করে। অন্যদিকে তৃণমূল এই আসনে প্রার্থী করে অভিনেত্রী সায়ন্তিকা ব্যানার্জিকে।
এই কেন্দ্রে ১৯৭২ সালের পর সিপিএম আর প্রার্থী দেয়নি। আসনটিতে দাঁড়াতেন বাম শরিক আরএসপি"র প্রার্থী। ইতিমধ্যেই বিজেপি ও তৃণমূল এই কেন্দ্রে প্রচার শুরু করে দিয়েছে। ফলে স্বাভাবিকভাবেই প্রশ্ন উঠেছে এত দেরিতে বাম প্রার্থীর নাম ঘোষণার জন্য ভোট প্রচারে তিনি কিছুটা পিছিয়ে পড়লেন কিনা। এর উত্তরে প্রার্থী তন্ময় ভট্টাচার্য বলেন, "পিছিয়ে পড়ার কোনও ব্যাপার নেই। কারণ আমি এখানকার ভূমিপুত্র ও ঘরের ছেলে। বাকি দুই প্রার্থী বাইরে থেকে এসেছেন। এখানকার প্রতিটি অলিগলি, খেলার মাঠ আমি চিনি। তারাও আমায় চেনে। বরানগরে আমাদের যে রাজনৈতিক সংগঠন আছে সেই সংগঠন প্রতিদিনই রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডে যুক্ত আছে এবং প্রতিদিন যখন লোকসভা ভোটের প্রচার হচ্ছে তখন সংগঠনের তরফে বিধানসভা নির্বাচন যে আসন্ন সেকথাও মানুষের সামনে তুলে ধরা হচ্ছে। এখানকার সব মানুষকে চিনি। তাঁদের মধ্যে বেশিরভাগ আমাকেও চেনেন। খেলাধুলা থেকে সংস্কৃতি, সব কিছু মিলিয়েই এখানকার মানুষের সঙ্গে আমার একটা সম্পর্ক তৈরি হয়েই আছে। সেজন্যই প্রার্থী হিসেবে নাম ঘোষণাটা একটু বিলম্বে হলেও সেটার কোনও প্রভাব পড়বে না বলেই আমার বিশ্বাস।"
বরানগর বিধানসভা আসনটি একসময় বাম দূর্গ বলে পরিচিত থাকলেও ২০১১ সাল থেকেই আসনটি তৃণমূল কংগ্রেসের দখলে চলে যায়। গত বিধানসভা নির্বাচনেও জিতেছিলেন তৃণমূলের তাপস রায়। লোকসভা ভোট ঘোষণার আগে বিধায়ক পদ ছেড়ে তাপস বিজেপিতে যোগ দিলে আসনটি ফাঁকা হয়। তাপসকে বিজেপি উত্তর কলকাতা লোকসভা কেন্দ্রের প্রার্থী করে। অন্যদিকে তৃণমূল এই আসনে প্রার্থী করে অভিনেত্রী সায়ন্তিকা ব্যানার্জিকে।
এই কেন্দ্রে ১৯৭২ সালের পর সিপিএম আর প্রার্থী দেয়নি। আসনটিতে দাঁড়াতেন বাম শরিক আরএসপি"র প্রার্থী। ইতিমধ্যেই বিজেপি ও তৃণমূল এই কেন্দ্রে প্রচার শুরু করে দিয়েছে। ফলে স্বাভাবিকভাবেই প্রশ্ন উঠেছে এত দেরিতে বাম প্রার্থীর নাম ঘোষণার জন্য ভোট প্রচারে তিনি কিছুটা পিছিয়ে পড়লেন কিনা। এর উত্তরে প্রার্থী তন্ময় ভট্টাচার্য বলেন, "পিছিয়ে পড়ার কোনও ব্যাপার নেই। কারণ আমি এখানকার ভূমিপুত্র ও ঘরের ছেলে। বাকি দুই প্রার্থী বাইরে থেকে এসেছেন। এখানকার প্রতিটি অলিগলি, খেলার মাঠ আমি চিনি। তারাও আমায় চেনে। বরানগরে আমাদের যে রাজনৈতিক সংগঠন আছে সেই সংগঠন প্রতিদিনই রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডে যুক্ত আছে এবং প্রতিদিন যখন লোকসভা ভোটের প্রচার হচ্ছে তখন সংগঠনের তরফে বিধানসভা নির্বাচন যে আসন্ন সেকথাও মানুষের সামনে তুলে ধরা হচ্ছে। এখানকার সব মানুষকে চিনি। তাঁদের মধ্যে বেশিরভাগ আমাকেও চেনেন। খেলাধুলা থেকে সংস্কৃতি, সব কিছু মিলিয়েই এখানকার মানুষের সঙ্গে আমার একটা সম্পর্ক তৈরি হয়েই আছে। সেজন্যই প্রার্থী হিসেবে নাম ঘোষণাটা একটু বিলম্বে হলেও সেটার কোনও প্রভাব পড়বে না বলেই আমার বিশ্বাস।"















