অভিনেতা ভাস্বর চট্টোপাধ্যায় শুধুমাত্র এই পরিচয়েই সীমাবদ্ধ নন তিনি। সাহিত্য জগতেও এই মুহূর্তে ভাস্বর পরিচিত নাম। সম্প্রতি লেখার জন্য ‘সাহিত্য রত্ন’ সম্মান পেলেন ভাস্বর চট্টোপাধ্যায়, পাঠকদের ভালোবাসা পাওয়ার পাশাপাশি এমন একাধিক সম্মান পেয়ে আপ্লুত এই অভিনেতা- সাহিত্যিক। হাজারো ব্যস্ততার মধ্যেও নিজের লেখালেখি কে সময় দেন তিনি, অভিনয় থেকে লেখা কীভাবে ব্যালেন্স করেন অভিনেতা? অকপট ভাস্বর-
অভিনেতা হিসেবে নিজেকে প্রমাণ করার পর এখন তিনি যে একজন দক্ষ লেখক- সেটাও ভাস্বর চট্টোপাধ্যায় বুঝিয়ে দিয়েছেন বারবার। ‘অন্য উপত্যকা’, ‘আলোর উপত্যকা’, ‘আলিয়া’, ‘মহারানী দিদ্দা’, ‘শ্রীকান্ত মঞ্জিল রহস্য’র মত তাঁর লেখা একাধিক বই বারবার পাঠকদের চমকে দিয়েছে। সাহিত্য রত্ন পুরস্কার পেয়ে আপ্লুত অভিনেতা।
“আলো ট্রাস্ট নামের এই সংস্থা বিভিন্ন ক্ষেত্রের বহু মানুষকে এই সম্মান দিয়ে থাকে, আমার সঙ্গে দু’জন ‘পদ্মশ্রী’ প্রাপক ‘সাহিত্য রত্ন’ সম্মান পেয়েছেন, তবে প্রথমবার যখন আমায় যোগাযোগ করে ওঁরা জানান যে, লেখালেখির জন্য ‘সাহিত্য রত্ন’ সম্মান দেবেন, সেটা আমার কাছে বিরাট একটা প্রাপ্তি। কারণ আমি বহু বছর ধরে লিখলেও বই হিসেবে প্রকাশ পাচ্ছে এক দু বছর।এত অল্প সময়ে ‘বঙ্কিম সম্মান’ বা ‘সাহিত্য রত্ন’ সম্মান আমার কাছে অনেক বড় ব্যাপার। তবে বেশ ভয়ও লাগে কারণ আমার লেখার প্রতি পাঠকদের প্রত্যাশা অনেক বেড়ে যাচ্ছে। এটা সত্যিই খুব আনন্দের।‘’
" অভিনয় নাকি লেখালেখির জন্য সম্মান - কোনটা বেশি আনন্দের ভাস্বরের কাছে? অভিনেতার সলাজ উত্তর " ‘’দুটোই।কারণ দুটোই তো ভাস্বর চট্টোপাধ্যায় করছেন, দুটোই আমার সমান ভালবাসা। লেখালেখি করছি মানে অভিনয় কে কম সময় দেব তা কিন্তু নয় আবার উল্টোটাও।‘’
ছোট পর্দা সহ বিভিন্ন মাধ্যমে অভিনয় করা, নিজের লেখা চালিয়ে যাওয়া, ঘুরতে যাওয়া, বাবাকে ও নিজেকে সময় দেওয়া- এত কিছু সামলান কী করে? তিনি জানালেন, ‘’আবার এর মধ্যে ৮ থেকে ১০ ঘণ্টা ঘুমোই এবং অন্যান্য কাজও করি। আমি যে সময় অভিনয় করি সেই সময় খুব একটা লেখালেখি নিয়ে ভাবি না। ঠিক তেমনি ভোরবেলা উঠে কাজে যাওয়ার আগে দু"ঘণ্টা লেখালেখি করি, এইভাবে সবকিছুর ঠিক সামলে নিচ্ছি।‘’
আগামীতে পাঠকদের কী উপহার দিচ্ছেন ভাস্বর? ‘’জুলাই মাসে ‘অল্প স্বল্প গল্প’ নামে আমার একটি নতুন বই আসছে, প্রথমবার ছোট গল্প লিখলাম, অনেকগুলো উপন্যাস তো হল, আমার ছোট গল্প লিখতে খুব ভালো লাগে সেই জন্যই এই বই।এছাড়াও এই বছরের শেষে একটা চমক আছে কাশ্মীর নিয়ে। এখনই কিছু বলছি না। ঠিক সময়ে জানাব।‘’
অভিনেতা হিসেবে নিজেকে প্রমাণ করার পর এখন তিনি যে একজন দক্ষ লেখক- সেটাও ভাস্বর চট্টোপাধ্যায় বুঝিয়ে দিয়েছেন বারবার। ‘অন্য উপত্যকা’, ‘আলোর উপত্যকা’, ‘আলিয়া’, ‘মহারানী দিদ্দা’, ‘শ্রীকান্ত মঞ্জিল রহস্য’র মত তাঁর লেখা একাধিক বই বারবার পাঠকদের চমকে দিয়েছে। সাহিত্য রত্ন পুরস্কার পেয়ে আপ্লুত অভিনেতা।
“আলো ট্রাস্ট নামের এই সংস্থা বিভিন্ন ক্ষেত্রের বহু মানুষকে এই সম্মান দিয়ে থাকে, আমার সঙ্গে দু’জন ‘পদ্মশ্রী’ প্রাপক ‘সাহিত্য রত্ন’ সম্মান পেয়েছেন, তবে প্রথমবার যখন আমায় যোগাযোগ করে ওঁরা জানান যে, লেখালেখির জন্য ‘সাহিত্য রত্ন’ সম্মান দেবেন, সেটা আমার কাছে বিরাট একটা প্রাপ্তি। কারণ আমি বহু বছর ধরে লিখলেও বই হিসেবে প্রকাশ পাচ্ছে এক দু বছর।এত অল্প সময়ে ‘বঙ্কিম সম্মান’ বা ‘সাহিত্য রত্ন’ সম্মান আমার কাছে অনেক বড় ব্যাপার। তবে বেশ ভয়ও লাগে কারণ আমার লেখার প্রতি পাঠকদের প্রত্যাশা অনেক বেড়ে যাচ্ছে। এটা সত্যিই খুব আনন্দের।‘’
" অভিনয় নাকি লেখালেখির জন্য সম্মান - কোনটা বেশি আনন্দের ভাস্বরের কাছে? অভিনেতার সলাজ উত্তর " ‘’দুটোই।কারণ দুটোই তো ভাস্বর চট্টোপাধ্যায় করছেন, দুটোই আমার সমান ভালবাসা। লেখালেখি করছি মানে অভিনয় কে কম সময় দেব তা কিন্তু নয় আবার উল্টোটাও।‘’
ছোট পর্দা সহ বিভিন্ন মাধ্যমে অভিনয় করা, নিজের লেখা চালিয়ে যাওয়া, ঘুরতে যাওয়া, বাবাকে ও নিজেকে সময় দেওয়া- এত কিছু সামলান কী করে? তিনি জানালেন, ‘’আবার এর মধ্যে ৮ থেকে ১০ ঘণ্টা ঘুমোই এবং অন্যান্য কাজও করি। আমি যে সময় অভিনয় করি সেই সময় খুব একটা লেখালেখি নিয়ে ভাবি না। ঠিক তেমনি ভোরবেলা উঠে কাজে যাওয়ার আগে দু"ঘণ্টা লেখালেখি করি, এইভাবে সবকিছুর ঠিক সামলে নিচ্ছি।‘’
আগামীতে পাঠকদের কী উপহার দিচ্ছেন ভাস্বর? ‘’জুলাই মাসে ‘অল্প স্বল্প গল্প’ নামে আমার একটি নতুন বই আসছে, প্রথমবার ছোট গল্প লিখলাম, অনেকগুলো উপন্যাস তো হল, আমার ছোট গল্প লিখতে খুব ভালো লাগে সেই জন্যই এই বই।এছাড়াও এই বছরের শেষে একটা চমক আছে কাশ্মীর নিয়ে। এখনই কিছু বলছি না। ঠিক সময়ে জানাব।‘’
















