আজকাল ওয়েবডেস্ক:‌ টি–২০ বিশ্বকাপে বড় অঘটন ঘটিয়েছে জিম্বাবোয়ে। ২৩ রানে হারিয়ে দিয়েছে অস্ট্রেলিয়াকে। এর ফলে সুপার এইটে ওঠার অঙ্কটা কঠিন করে তুলেছে অজি বাহিনী। শ্রীলঙ্কার বিরুদ্ধে হেরে গেলে সুপার এইটে ওঠার দৌড় থেকে কার্যত বিদায় নিতে হবে তাদের। মরণবাঁচন সেই ম্যাচের আগে চোট পেয়ে বিশ্বকাপ থেকেই ছিটকে গেলেন জস হ্যাজেলউড। এবার তাঁর পরিবর্ত হিসাবে স্টিভ স্মিথের নাম ঘোষণা করল অস্ট্রেলিয়া।  


মিচেল মার্শের চোটের পর ‘কভার’ হিসাবে শ্রীলঙ্কায় উড়িয়ে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল স্মিথকে। যদিও প্রথম দুই ম্যাচে প্রথম এগারোয় জায়গা পাননি তিনি। তবে অজি পেসার চোট পাওয়ায় স্মিথকে দলে নেওয়ার আবেদন জানিয়েছিল ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়া। আইসিসি প্রতিযোগিতায় কোনও ক্রিকেটারকে যুক্ত করতে গেলে সবার আগে টেকনিক্যাল কমিটির অনুমোদন প্রয়োজন। সেই অনুমোদনের পরেই কাফ স্ট্রেইন ইনজুরির কবলে পড়া হ্যাজেলউডের পরিবর্তে সরকারিভাবে স্কোয়াডে যুক্ত করা হল স্মিথকে। আইসিসি’র টেকনিক্যাল কমিটির পক্ষ থেকেও স্মিথকে অনুমোদন দেওয়া হয়। এক বিবৃতিতে বলা হয়, ‘হ্যাজেলউডের পরিবর্ত হিসাবে অস্ট্রেলিয়া দলে যোগ দিয়েছেন স্মিথ। তাতে সিলমোহর দিয়েছে আইসিসি। গোড়ালির চোটের কারণে বিশ্বকাপ থেকে ছিটকে গিয়েছেন হ্যাজেলউড।’


এর ফলে চার বছর পর অস্ট্রেলিয়ার টি–২০ বিশ্বকাপ দলে ফিরলেন স্মিথ। ২০২২ সালে তিনি শেষবার টি–২০ বিশ্বকাপ খেলেছিলেন তিনি। তাছাড়াও ২০২৪ সালের পর আন্তর্জাতিক টি–২০ খেলেননি তিনি। অস্ট্রেলিয়ার নির্বাচক টনি ডোডেমাইড বলেন, ‘‌আইসিসির নিয়ম অনুযায়ী যে কোনও দলে পরিবর্তনের আবেদন ম্যাচের কমপক্ষে এক দিন আগে জমা দিতে হয়। মার্শ এবং স্টোইনিসকে নিয়ে বেশ কিছু অনিশ্চয়তা ছিল। তাছাড়াও এখানেই ছিলেন স্মিথ। তাই দলে যোগ দেওয়ার ব্যাপারে তাঁর অসুবিধা নেই।’


প্রসঙ্গত, বিগ ব্যাশ লিগে দুর্দান্ত ফর্মে ছিলেন তিনি। সিডনি সিক্সার্সের হয়ে ৬ ম্যাচে ২৯৯ রান করেন। গড় ৫৯.৮০ এবং স্ট্রাইক রেট ১৬৭.৯৭। এর মধ্যে ছিল একটি সেঞ্চুরি ও দু’টি হাফ সেঞ্চুরি। এখন দেখার শ্রীলঙ্কার বিরুদ্ধে মরণবাঁচন ম্যাচে তিনি খেলেন কি না। অস্ট্রেলিয়ার জন্য সুখবর হল, অনুশীলনে যোগ দিয়েছেন মার্শ। প্রথম দুই ম্যাচে খেলতে পারেননি অজি অধিনায়ক। তাঁর জায়গায় অস্ট্রেলিয়াকে নেতৃত্ব দিয়েছিলেন ট্রাভিস হেড। শ্রীলঙ্কার বিরুদ্ধে মার্শ ফিরতে পারেন বলেই মনে করা হচ্ছে।