আজকাল ওয়েবডেস্ক: টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে বুধবার নামিবিয়ার বিরুদ্ধে ম্যাচে পাকিস্তান দলে বড় পরিবর্তনের সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। প্রতিবেদন অনুযায়ী, প্রাক্তন অধিনায়ক বাবর আজম ও শাহিন আফ্রিদিকে বাদ দেওয়া হতে পারে।

সংবাদমাধ্যম জিও নিউজ জানিয়েছে, দুই সিনিয়র ক্রিকেটারের হতাশাজনক পারফরম্যান্সে টিম ম্যানেজমেন্ট একপ্রকার বিরক্ত হয়ে উঠেছে। রবিবার চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী ভারতের কাছে ৬১ রানের বড় হারের পরই এই সিদ্ধান্তের কথা সামনে আসে।

ভারতের বিরুদ্ধে হার সাধারণত পাকিস্তান দলে তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়া তৈরি করে। তবে বাবর আজম এবং শাহিন আফ্রিদির পারফরম্যান্স নিয়ে সমালোচনা বেশ কিছুদিন ধরেই চলছে।

রবিবারের হাইভোল্টেজ ম্যাচে চার নম্বরে নেমে বাবর মাত্র ৭ বলে ৫ রান করেন। অক্ষর প্যাটেলের বলে বড় শট খেলতে গিয়ে বলের লাইন সম্পূর্ণ মিস করে বোল্ড হন তিনি।

অন্যদিকে শাহিন দু’ওভার বল করে ৩১ রান দেন। তাঁর ইকোনমি রেট ছিল ১৫.৫০। প্রথম ইনিংসের দ্বিতীয় এবং শেষ ওভারে বলে যান তিনি। দুটি ওভারেই মার খেতে হয় তাঁকে।

ম্যাচ শেষে পাকিস্তান দলের হেড কোচ মাইক হেসন বলেন, চাপের মুহূর্তে ভাল পারফর্ম করতে হলে খেলোয়াড়দের আরও পরিশ্রম করতে হবে। ক্রিকেটাররা বারবার সহজ বিষয়গুলো ভুলে যাচ্ছে।

তাঁর কথায়, ‘চাপের মধ্যে আমরা কীভাবে প্রতিক্রিয়া দেখাই সেটাই গুরুত্বপূর্ণ। সবাই আন্তর্জাতিক মানের খেলোয়াড়, কিন্তু চাপের সময় তারা কি নিজের সিদ্ধান্তে বিশ্বাস রাখবে, নাকি তার বাইরে চলে যাবে, এই জায়গাটাতেই আমাদের উন্নতি করতে হবে।’

উল্লেখ্য, যদি বাবর ও শাহিনকে সত্যিই বাদ দেওয়া হয়, তাহলে দলে সুযোগ পেতে পারেন ফখর জামান ও নাসিম শা। নামিবিয়ার বিরুদ্ধে গ্রুপ লিগের শেষ ম্যাচটি পাকিস্তানের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

বৃষ্টিতে ম্যাচ বাতিল হলেও এক পয়েন্ট পেলেই পাকিস্তান সুপার এইট পর্বে উঠে যাবে। কিন্তু হারলে গ্রুপ পর্ব থেকে বিদায় নিতে হতে পারে সলমন আঘার দলকে।

কলম্বোতে রবিবার চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী ভারতের কাছে ৬১ রানে বিধ্বস্ত হওয়ার পর হতাশায় ডুবে গিয়েছিলেন পাকিস্তান দলের ক্রিকেটাররা।

ড্রেসিংরুমেও গভীর হতাশা নেমে এসেছিল বলে জানালেন দলের হেড কোচ মাইক হেসন। টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে ভারত-পাকিস্তানের ম্যাচ আদৌ হবে কিনা তা কয়েক দিন আগেও অনিশ্চিত ছিল।

পরে পাকিস্তান সরকার খেলার অনুমতি দিলে রবিবার ম্যাচটি অনুষ্ঠিত হয় কলম্বোতে। ডিফেন্ডিং চ্যাম্পিয়ন ভারত টস হেরে আগে ব্যাট করে। ঈশান কিষাণের দুর্দান্ত ইনিংসের সৌজন্যে ৭ উইকেটে ১৭৫ রান তোলে ভারত।