আজকাল ওয়েবডেস্ক: শত্রুদেশের যে কোনও হুমকিকেই ইরান অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে দেখছে। রবিবার ইরানের ভারপ্রাপ্ত প্রতিরক্ষামন্ত্রী মজিদ ইবনে আল-রেজা সে দেশের সরকারি সংবাদমাধ্যমকে স্পষ্ট জানান, শত্রুর হুমকিকে তারা "বাস্তব ও বিশ্বাসযোগ্য" বলেই ধরে নিচ্ছেন।

আল-রেজার হুঁশিয়ারি, "আমরা কোনও অবস্থাতেই অপ্রস্তুত থাকব না, আর চুপ করেও বসে থাকব না।" বরং এই হুমকিকে কাজে লাগিয়ে ইরান তাদের সামরিক শক্তি, প্রতিরোধ ব্যবস্থা এবং যুদ্ধের প্রস্তুতি আরও বাড়াবে বলে তিনি জানান।

আমেরিকার প্রতি তীব্র ক্ষোভ ও অবিশ্বাস প্রকাশ করেছেন ইরানিরা। তাঁদের বক্তব্য, ভবিষ্যতে যদি কোনও চুক্তি হয়, তবে তাতে তেহরানের অধিকার ও স্বার্থ রক্ষা করতেই হবে।

সম্প্রতি এক প্রতিবাদ মিছিলে বিক্ষোভকারীদের হাতে ভাঙা ‘স্ট্যাচু অব লিবার্টি’র ছবি দেওয়া ব্যানার দেখা যায়, যা আমেরিকা-ইরান উত্তেজনার পারদ আরও বাড়িয়ে দিয়েছে।

কূটনৈতিক আলোচনার পথ খোলা রাখতে আমেরিকা তাদের পরিকল্পিত বড় সামরিক হামলা স্থগিত রাখার পরই জলঘোলা কিছুটা মেটে। রবিবার ইরান জানিয়েছে, হরমুজ প্রণালীতে একটি নতুন আন্তর্জাতিক জলপথ চালুর বিষয়ে ওমানের সঙ্গে চুক্তি প্রায় চূড়ান্ত।

ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ইসমাইল বাঘেই সে দেশের রাষ্ট্রীয় টিভিতে জানান, প্রণালীর অন্য পাড়ে থাকা ওমানের সঙ্গে কথা বার্তা অনেক দূর এগিয়েছে।

ইসমাইলের কথায়, "আমরা এমন একটি নতুন রুটে একমত হতে চলেছি, যা দুই দেশের কাছেই গ্রহণযোগ্য হবে- একদম উত্তর বা দক্ষিণের পথ হবে না। বরং এমন এক পথ বেছে নেওয়া হবে যা দুই দেশের ক্ষমতাকে সম্মান জানাবে, এমনকী আমাদের জাতীয় নিরাপত্তা নিশ্চিত করবে।"