আজকাল ওয়েবডেস্ক: মন্দিরে পুজো দিয়ে ফেরার পথেই ভয়ঙ্কর হেনস্থার শিকার এক যুগল। প্রথমে মারধর, তারপর চুরি। এরপর প্রেমিকের চোখের সামনেই যুবতীকে ধর্ষণের চেষ্টাও। কোনও মতে পালিয়েই থানার দ্বারস্থ ওই যুগল। যে বিবরণ শুনেই শিউরে উঠেছে পুলিশও।
সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যম সূত্রে জানা গিয়েছে, ঘটনাটি ঘটেছে মধ্যপ্রদেশের গুনায়। শনিবার পুলিশ জানিয়েছে, একদল অভিযুক্ত যুগলকে টেনে হিঁচড়ে প্রথমে জঙ্গলে নিয়ে যায়। সেই জঙ্গলের মধ্যেই যুগলের থেকে সমস্ত জিনিস চুরিও থামেননি অভিযুক্তরা। এরপর তরুণীকে ধর্ষণের চেষ্টাও করে তারা।
পুলিশ জানিয়েছে, বৃহস্পতিবার রাতে এই ভয়ঙ্কর ঘটনাটি ঘটেছে গাদের গ্রামে। যুগলের অভিযোগের ভিত্তিতে অভিযুক্ত পাঁচজনক গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এক পুলিশ আধিকারিক জানিয়েছেন, এই ঘটনার পর থেকেই অভিযুক্ত আরও দু'জন পলাতক। তাঁদের খোঁজে তল্লাশি অভিযান শুরু হয়েছে।
প্রাথমিক তদন্তের পর জানা গিয়েছে, মন্দির থেকে পুজো দিয়ে মোটরসাইকেলে করে বাড়িতে ফিরছিল ওই যুগল। হাইওয়েতে একটি পেট্রোল পাম্পের কাছেই যুগলের মোটরসাইকেল থামিয়ে পথ আটকে দাঁড়ায় অভিযুক্ত যুবকদের দল। এরপর সেখান থেকেই যুগলকে টেনে হিঁচড়ে জঙ্গলে নিয়ে যায় তারা।
জানা গিয়েছে, সেই জঙ্গলেই যুগলকে চূড়ান্ত হেনস্থা করেন অভিযুক্তরা। তাঁদের থেকে মোবাইল ফোন, মানি ব্যাগ, গয়নাও চুরি করে নেয়। এরপর ২৬ বছর বয়সি যুবতীকে ধর্ষণের চেষ্টাও করেন অভিযুক্তরা। যুবতী জানিয়েছেন, এক পথচারী চিৎকারের শব্দ পেয়েই ঘটনাস্থলের কাছে পৌঁছন। সেখানে পৌঁছেই পুলিশকে খবর দেওয়া হয়। তড়িঘড়ি ঘটনাস্থলে পৌঁছয় পুলিশ বাহিনী।
ধর্নাভাড়া থানায় অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে ভারতীয় ন্যায় সংহিতার একাধিক ধারায় মামলা রুজু করা হয়েছে। এই ঘটনায় সিট গঠন করে তদন্ত শুরু হয়েছে।
পুলিশ আরও জানিয়েছে, সিসিটিভি ফুটেজ দেখে অভিযুক্তদের শনাক্ত করে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। ধৃতরা হলেন, বাবলু বানজারা (২৩), ছোটু বানজারা (২৮), সর্দার বানজারা (৩০), মহেন্দ্র বানজারা (২০), এবং দীনেশ বানজারা (২৮)।
















