বাংলার জলবায়ু পরিবর্তন নিয়ে ভয়ঙ্কর পূর্বাভাস এবার প্রকাশ্যে এল। আর কয়েক দশকের মধ্যেই বাংলার বিস্তীর্ণ অঞ্চলে পানীয় জলের ঘাটতি তো হবেই। কিছু অঞ্চলে পানীয় জল আবার পাওয়াও যাবে না।
2
7
এই জলবায়ু পরিবর্তনের কারণেই কোটি কোটি মানুষ জীবিকা হারাবেন। বাংলার এক জনপ্রিয় পর্যটন কেন্দ্রেই এমন ভয়াবহ পরিণতি হতে চলেছে।
3
7
আবহাওয়াবিদ ড. সুজীব কর জানিয়েছেন, "সমস্যা হল তৃতীয় বিশ্বের। আমরা ঋতুগত বৈচিত্র্য হারিয়ে ফেললাম। আমাদের যে ছ'টি ঋতু রয়েছে, চারটি ঋতুতে এসেছে হাজির হয়েছে। শীত আর গ্রীষ্ম, আর সারাবছর বৃষ্টি।"
4
7
তাঁর কথায়, "সমুদ্রের জলস্তরের উচ্চতা দ্রুতগতিতে বেড়ে চলেছে। বরফ গলছে বলেই। এর ফলে ভূখণ্ডের শিলাস্তর যে নতিতে আনত, সেটা মাত্র ২-৩ ডিগ্রি নতিকোণ। এই নতিকোণে সমুদ্রের লবণাক্ত জল দ্রুতগতিতে প্রবেশ করছে।"
5
7
ড. সুজীব কর জানিয়েছেন, "আগামী ১০ বছরের মধ্যে সমুদ্র তীরবর্তী অঞ্চল থেকে ৭৩ কিলোমিটার মধ্যে এলাকা পুরোটাই লবনাক্ত হয়ে যাবে। তার পরবর্তী ১০ বছরে ১১২ থেকে ১২৭ কিলোমিটার অঞ্চল পুরোটাই লবনাক্ত হয়ে যাবে। সেই সময় কোনও পানীয় জল থাকবে না মাটির তলায়।"
6
7
তিনি আরও আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন, "এই এলাকায় সমস্ত মানুষ নিজের জীবিকা হারিয়ে ফেলবেন। আমরা হিসেব করে দেখেছিলাম, প্রায় ৪২ কোটি মানুষ জীবিকা হারাবেন। কোনও চাষাবাদ হবে না।"
7
7
নাসা আগেই বলেছিল, সুন্দরবন অঞ্চল ধীরে ধীরে নীচের দিকে চলে যাচ্ছে। সাগরদ্বীপ ভাঙতে শুরু করেছে। সাগরদ্বীপ সংলগ্ন দ্বীপগুলোও নষ্ট হয়ে যাচ্ছে। ভবিষ্যতে এই অঞ্চলের বাসিন্দাদের জীবিকা নিয়ে বড় সংশয় রয়েছে।