ফাল্গুন মাসের অমাবস্যা হিন্দু ধর্মে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি তিথি। ২০২৬ সালে ফাল্গুন অমাবস্যা শুরু হচ্ছে আজ ১৬ ফেব্রুয়ারি, সোমবার সন্ধ্যা থেকে এবং শেষ হবে ১৭ ফেব্রুয়ারি, মঙ্গলবার সকালে।
2
9
ফাল্গুন অমাবস্যার সময়টিকে পিতৃ স্মরণ, দান-পুণ্য ও আধ্যাত্মিক সাধনার জন্য বিশেষ শুভ বলে মনে করা হয়। তবে ধর্মীয় বিশ্বাস অনুযায়ী, এই রাতে কিছু ভুল কাজ করলে জীবনে নানা সমস্যা দেখা দিতে পারে।
3
9
ধর্মীয় মতে, অমাবস্যার রাতে পরিবেশে নেগেটিভ শক্তির প্রভাব তুলনামূলক বেশি থাকে। তাই এই সময় সংযমী জীবনযাপন করা জরুরি। ধর্মবিশেষজ্ঞরা বলছেন, বিশেষ করে রাতের সময় কিছু কাজ একেবারেই এড়িয়ে চলা উচিত।
4
9
অমাবস্যার রাতে তামসিক খাবার খাওয়া উচিত নয়। মাংস, মদ, পেঁয়াজ-রসুন বা অতিরিক্ত তেল-ঝাল খাবার মানসিক অস্থিরতা বাড়ায় এবং ঘরের শান্তি নষ্ট করতে পারে বলে বিশ্বাস করা হয়। তাই এদিনে হালকা ও সত্ত্বিক খাবার খাওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়।
5
9
এছাড়াও রাতে অকারণে বাইরে বের হওয়া বা শুনশান জায়গায় যাওয়া এড়িয়ে চলা উচিত। ধর্মীয় বিশ্বাস অনুযায়ী, এই রাতে নির্জন বা অচেনা জায়গায় গেলে নেতিবাচক প্রভাব পড়তে পারে। নিরাপত্তার দিক থেকেও এই সতর্কতা গুরুত্বপূর্ণ।
6
9
ঝগড়া-বিবাদ থেকে দূরে থাকা অত্যন্ত জরুরি। অমাবস্যার রাতে পরিবারে অশান্তি বা কথা কাটাকাটি হলে তার প্রভাব দীর্ঘদিন থাকতে পারে। এতে সংসারের সুখ-শান্তি ও আর্থিক স্থিতির উপরও প্রভাব পড়তে পারে বলে ধারণা।
7
9
ধর্মবিশেষজ্ঞরা আরও পরামর্শ দেন, এই রাতে দেরি করে জেগে থাকা ঠিক নয়। এতে মানসিক চাপ, ভয় ও অস্থিরতা বাড়াতে পারে। তাই সময়মতো ঘুমিয়ে পড়াই শ্রেয়।
8
9
অন্যদিকে, ফাল্গুন অমাবস্যা পিতৃ স্মরণ ও দান-পুণ্যের জন্য বিশেষ শুভ। অনেকেই এই দিনে পিতৃতর্পণ করেন, দরিদ্র মানুষকে খাবার বা প্রয়োজনীয় জিনিস দান করেন। ধর্মীয় বিশ্বাস অনুযায়ী, এতে সংসারে শান্তি ও সমৃদ্ধি আসে।
9
9
১৬–১৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬-এর ফাল্গুন অমাবস্যার রাতে শান্ত মন, সংযমী আচরণ এবং ভাল কাজের দিকেই মন দেওয়া উচিত। ধর্মীয় বিশ্বাস অনুযায়ী, এই নিয়মগুলি মেনে চললে অশান্তি দূরে থাকে এবং জীবন আরও স্থির ও শান্ত হয়।