'ইন পাহাড়ো কী বাত হি কুছ আলাগ হ্যায়.... ইয়াহা বাস হোনা হি কাফি হ্যায়।' দুর্দান্ত একটা ভিউয়ের সঙ্গে সুধাকে ঠিক এই কথাগুলো বলেছিল চন্দ্র বা চান্দের। নাম, এবং সংলাপ শুনে বুঝেই গিয়েছেন কথা হচ্ছে 'মুসাফির ক্যাফে' সিরিজের। বিগত কয়েকদিন ধরে সমাজমাধ্যম খুললে একটাই চর্চা, বা সিরিজের ক্লিপ নজরে আসছে, 'মুসাফির ক্যাফে'। জেন জি বলুন বা মিলেনিয়াল, সকলেই কোথাও গিয়ে যেন সুধা, চন্দ্র এবং প্রীতির সঙ্গে নিজেদের অদ্ভুত মিল পেয়েছেন। আর এসবের পাশাপাশি যাঁরা পাহাড় প্রেমী তাঁদের মনে একটা প্রশ্ন উঁকি দিয়েছে, এই 'মুসাফির ক্যাফে' ঠিক কোথায়? এটা কি সত্যিই কোনও ক্যাফে? নাকি কারও বাড়ি?
'মুসাফির ক্যাফে' বাস্তবেও আছে। কোথায়? পর্দায় তো মুসৌরিতে অবস্থিত দেখানো হয়েছে এই ক্যাফেকে। কিন্তু আদতে কোথায় অবস্থিত? কেউ যদি সত্যিই যেতে চান, পারবেন কি? আলবাত পারবেন। আদতেও এই জায়গাটি মুসৌরিতেই অবস্থিত। তবে নাম 'মুসাফির ক্যাফে' নয়। এই ক্যাফের নাম ঝাড়িপানি ক্যাসেল। মুসৌরির ঝাড়িপানি তে অবস্থিত এটি। আর সিরিজে ক্যাফে হিসেবে দেখানো হলেও, আদতে এটি একটি হোমস্টে। অর্থাৎ কেউ চাইলে এখানে গিয়ে থাকতে পারবেন। বহু পুরনো একটি প্রপার্টিকে মেরামত করে হোমস্টে বানানো হয়েছে।
ফলে কারও যদি এর মধ্যে উত্তরাখণ্ড বা আরও ভাল করে বললে মুসৌরি যাওয়ার পরিকল্পনা থাকে, তাহলে এই ঝাড়িপানি ক্যাসেল থেকে একবার ঢুঁ মেরে আসতেই পারেন। বা, চাইলে থাকতেও পারেন।
এই ঝাড়িপানি ক্যাডেল ১৯৩২ সালে ক্রাউন ব্রিউওয়ারিজ বানিয়েছে। অর্থাৎ এখানে থাকলে ব্রিটিশ আমলের ফিল পাবেন। প্রথম প্রথম এটিকে গেস্ট হাউজ হিসেবে ব্যবহার করা হতো, যেখানে মূলত সেনা এবং অফিসাররা থাকতেন। পরে হাত বদল হতে হতে এখন এটি হোমস্টে হয়ে উঠেছে। বর্তমানে এই জায়গার মালিক মিস্টার অ্যান্ড মিসেস বহরি।
















