শনিবার সমাজমাধ্যমে একটি ভিডিও ভাইরাল হয়। সেখানে দেখা যায়, একজনকে গণপ্রহার করতে করতে থানার ভিতর ঢোকানো হচ্ছে। ভিডিওতে দাবি করা হয়, ওই মহিলা নাকি অভিনেত্রী মিমি চক্রবর্তী। মহিলার সঙ্গে মিমির আদলের কোন ও মিল না থাকায় প্রথম থেকেই কিছু সংখ্যক নেটিজেনদের মনে সন্দেহ জাগে। তবুও ঝড়ের গতিতে ছড়িয়ে পড়ে ওই ভিডিও।‌ সেটা নজর এড়ায়নি মিমির। 

নিজের সম্পর্কে এমন ভুয়ো ভিডিও দেখে এবার চটে লাল অভিনেত্রী। সমাজমাধ্যমে কড়া বার্তাও দিয়েছেন এই ভুয়ো ভিডিও নিয়ে। মিমি লেখেন, 'আজকে আমাকে ঘিরে একটা ফেক ভিডিয়ো নজরে এসেছে। সমাজ মাধ‍্যমে অন‍্য একটা ভিডিয়ো এবং একটি খবর মিলিয়ে পোস্ট করা হয়েছে, যেটা সম্পূর্ণ ফেক। এটা যাঁরা করছেন, তাঁদের বিরুদ্ধে আইনি ব‍্যবস্থা নিতে আমি বাধ‍্য হব। যিনি একজন মহিলা হয়ে এটা পোস্ট করেছেন, তাঁকে বলি, আপনার লজ্জা হওয়া উচিত। আপনি একজন মহিলা হয়ে অন‍্য একজন মহিলার মার খাওয়া সেলিব্রেট করতে পারেন কীভাবে! বাকিরাই বা কত ছোট মনের হলে, এরকম করতে পারেন? মহিলাদের সম্মান করেন না যাঁরা, তাঁদের লজ্জা হওয়া উচিত। এই প্রসঙ্গে ফেক নিউজ করার জন‍্য আইনি নোটিশ ইতিমধ‍্যেই পাঠানো হয়েছে একজনকে। বাকিদেরও পাঠানো হবে। কিছুদিন আগে একজন পলিটিশিয়ানের সঙ্গে আমার নাম জড়িয়ে একটা ফেক ভিডিয়ো সমাজ মাধ‍্যমে ভাইরাল হয়। এগুলো যাঁরা করছেন, তাঁরা অত‍্যন্ত অন‍্যায় করছেন। আপনারা আমার নাম নিয়ে সমাজ মাধ‍্যমে ভাইরাল হতে চাইছেন আশা করি।' (পোস্টের সমস্ত বানান অপরিবর্তিত রাখা হয়েছে।)

মিমি আরও লেখেন, 'ভিডিওগুলো যারা দেখছেন, তাঁদের সবাইকে আমার অনুরোধ—বিশ্বাস করার আগে একটু ভাবুন, আর শেয়ার করার আগে ভাল করে যাচাই করে নিন। ভুয়ো জিনিস শেয়ার করলেই ওগুলো আরও ছড়ায় আর যারা এই ভুল তথ্য ছড়িয়ে ফায়দা লোটে, তাদের উৎসাহ বাড়ে। আর যারা এই কাজগুলো করছেন, তাঁদের বলছি—আমার এই চুপ থাকাকে কিন্তু দুর্বলতা ভেবে ভুল করবেন না। এ নিয়ে আইনি পদক্ষেপ করা শুরু হয়ে গিয়েছে। এই মানহানিকর জিনিসগুলো যারা বানিয়েছে, আপলোড করেছে বা ছড়াচ্ছে—সবাইকে আইনের মুখোমুখি হতে হবে।'