গত ২৩ জুলাই যন্তর মন্তরে আন্দোলন চলাকালীন এক কিশোরী প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির বিরুদ্ধে কুইঙ্গিতপূর্ণ এবং খারাপ মন্তব্য করেন। এরপর তিনি এদিন একটি ভিডিও পোস্ট করে ক্ষমা চান। মেয়েটির সেই ভিডিও এদিন নিজে ইনস্টাগ্রামে শেয়ার করেন বিজেপি সাংসদ তথা অভিনেত্রী কঙ্গনা রানাওয়াত। একই সঙ্গে নিজে প্রতিক্রিয়া জানালেন।
কঙ্গনা রানাওয়াত এদিন সেই মেয়েটির ভিডিওর একটি স্ক্রিনশট সমাজমাধ্যমে পোস্ট করেন। সঙ্গে ক্যাপশনে লেখে, 'মেয়েটির বয়স বড়জোর ১৫ হবে। ও নিজেই বলছে, ও কখনও মোদিজির বিরুদ্ধে কখনও কিছু পোস্ট করেনি আজ পর্যন্ত। কিন্তু সেদিন ওকে ওর বন্ধুরা জোর সেখানে ওখানে নিয়ে যায়। ওকে উস্কানি দিতে থাকে খারাপ মন্তব্য করার জন্য। আপনারা আপনাদের বাচ্চাদের এই খারাপ ফেমিনাৎসি এবং আসুরিক বামপন্থীদের থেকে বাঁচান। আমাদেরই আমাদের সন্তানদের ওদের হাত থেকে বাঁচাতে হবে।' তবে এই পোস্টটি করার পরপরই সেটা ডিলিট করে দেন কঙ্গনা রানাওয়াত।
কঙ্গনা তাঁর এই ডিলিট করে দেওয়া পোস্টে আরও লিখেছিলেন, 'নিজেরাই দেখুন আন্দোলন, প্রতিবাদে কোনও স্কার্ফ বা বোরখা পরিচিত কোনও মহিলা ছিলেন না। কিন্তু আমাদের মেয়েদের সহজেই ম্যানিপুলেট করা হয়েছে। এরকমটা কেন? আমরা জাতি হিসেবে কোথাও গিয়ে একটা ব্যর্থ হয়ে যাচ্ছি। আমাদের নিজেদের দিকে তাকানো উচিত। আমাদের মেয়েদের বাঁচানো উচিত।'

এদিন সেই ভিডিওতে ক্ষমা চেয়ে মেয়েটি কী বলেছেন ঠিক? তিনি তাঁর সেই ভিডিওতে জানান ওই প্রতিবাদে গিয়ে বাকিদের থেকে অনুপ্রাণিত হয়ে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির বিষয়ে একাধিক খারাপ কথা বলেছেন। তাঁর মাত্র ১৫ বছর বয়স। তিনি এদিন এও বলেন, 'আমি যা বলেছি সেটার ক্ষমার অযোগ্য। অনেক খারাপ কথা বলেছি। আমি গোটা দেশের কাছে ক্ষমা চাইছি, অত্যন্ত লজ্জিত আমি। নিজের দিকে তাকাতে পর্যন্ত পারছি না। আমায় ক্ষমা করে দিন।'
কেবল কঙ্গনা রানাওয়াত নন, প্রধানমন্ত্রী নিজে এই বিষয়ে কথা বলেছেন। তিনি সকলের কাছে আবেদন করেছেন যেন এই মেয়েটিকে ক্ষমা করে দেওয়া হয়। নরেন্দ্র মোদি বলেন, 'এই বাচ্চাগুলোকে ভুল পথে চালিত করা হয়েছে। ওদের সঠিক পথ দেখানো আমাদের কর্তব্য। ওদের শাস্তি দিয়ে, কোর্টে দৌড় করিয়ে, সমাজে হ্যারাস করিয়ে তো অবস্থার বদল আনতে পারব না। বাচ্চারা চলো, আমরা দেশের স্বার্থে একসঙ্গে সামনের দিকে এগোই, নতুন কিছু শিখি। ভুল থেকেও শেখার আছে।'
















