মহাকাল মন্দিরে কার্তিক
৭২তম জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারে সেরা অভিনেতার সম্মান ছিনিয়ে নিয়ে ইতিহাস গড়েছেন বলিউড তারকা কার্তিক আরিয়ান। প্রখ্যাত দক্ষিণী অভিনেতা মামুট্টি ('ব্রহ্মযুগম'-এর জন্য)-র সাথে যৌথভাবে 'চন্দু চ্যাম্পিয়ন' ছবিতে অনবদ্য অভিনয়ের জন্য এই সর্বোচ্চ সম্মান লাভ করেন তিনি। তবে এত বড় সাফল্যের পরও জাকজমকপূর্ণ পার্টি নয়, বরং সম্পূর্ণ এক অন্য মেজাজে দেখা গেল অভিনেতাকে। জাতীয় পুরস্কার জয়ের পরেই কার্তিক ছুটে যান মধ্যপ্রদেশের উজ্জয়িনীর বিখ্যাত মহাকালেশ্বর মন্দিরে। ইনস্টাগ্রামে ভক্তদের সাথে সেই বিশেষ মুহূর্তের ছবি ভাগ করে নিয়েছেন অভিনেতা নিজেই। ছবিগুলোতে তাঁকে একটি হালকা গোলাপি শার্টে, কপালে তিলক কেটে যুক্তকরে প্রার্থনারত অবস্থায় দেখা গেছে। ছবির ক্যাপশনে তিনি শুধু লিখেছেন— "জয় মহাকাল"।
কেমন চলছে ইমতিয়াজের ছবি?
প্রেক্ষাগৃহে মুক্তির প্রথম সপ্তাহে যাকে একপ্রকার 'ফ্লপ' বলেই ধরে নিয়েছিলেন ট্রেড অ্যানালিস্টরা, ষষ্ঠ সপ্তাহে এসে সেই 'ম্যাঁয় ওয়াপস আয়ুঙ্গা' ছবিই ইতিহাস তৈরি করল! পরিচালক ইমতিয়াজ আলির রোমান্টিক ড্রামা ‘ম্যায় ওয়াপাস আউঙ্গা’ এখন বিনোদন জগতের অন্যতম বড় চমক। রিভিউ ভাল পাওয়া সত্ত্বেও শুরুতে যার বক্স অফিস ভাঁড়ার ছিল বেশ শূন্য, সেই ছবিই 'ওয়ার্ড অফ মাউথ'-এর ওপর ভর করে হয়ে উঠেছে এই বছরের অন্যতম চর্চিত কমার্শিয়াল হিট! ছবিটির এই অভাবনীয় মোড় ঘোরা নিয়ে প্রযোজক মোহিত চৌধুরীর কথায়, "শুরু করার সময় যা প্রায় অসম্ভব বলে মনে হচ্ছিল, ৬ষ্ঠ সপ্তাহে এসে সেই ছবিই থিয়েট্রিক্যাল এবং নন-থিয়েট্রিক্যাল প্ল্যাটফর্ম থেকে নিজের পুরো খরচ তুলে নিয়েছে।"
বায়োপিকে না আমিরের
বি -টাউনে যখনই কোনও বায়োপিক বা বড় প্রজেক্টে আমির খানের নাম জোড়ে, ভক্তদের আগ্রহের পারদ চড়ে আকাশছোঁয়া। বহুল চর্চিত 'স্টার্ট-আপ কিং' আশনীর গ্রোভারের জীবনের ওপর ভিত্তি করে ছবি তৈরি নিয়ে ঠিক তেমনই উন্মাদনা তৈরি হয়েছিল। তরুণ পরিচালক রাহুল মোদির পরিচালনায় এই ছবিতে আমিরের সঙ্গে শ্রদ্ধা কাপুরের অভিনয়ের খবর নেটপাড়ায় আগুনের মতো ছড়িয়ে পড়েছিল। কথা ছিল আশুতোষ গোয়ারিকরের পিরিয়ড ড্রামার কাজ শেষ করেই ২০২৭ সালের মার্চে এই ছবির শ্যুটিং শুরু করবেন 'মিঃ পারফেক্টশনিস্ট'।
কিন্তু একদম শেষ মুহূর্তে এসে বদলে গেল পুরো খেলা! ছবি থেকে পুরোপুরি সরে দাঁড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছেন আমির খান।খবর, স্টার্ট-আপের দুনিয়া এবং আশনীর গ্রোভারের চরিত্রটি আমিরকে দারুণভাবে আকর্ষণ করেছিল। তিনি নিজে স্ক্রিপ্ট ডেভেলপমেন্টে সময় দিয়েছেন এবং নিজের মতো করে গল্পটিকে রূপ দেওয়ার চেষ্টা করেছিলেন। কিন্তু চিত্রনাট্যের সূক্ষ্ম জায়গায় পরিচালক রাহুল মোদীর সঙ্গে তাঁর মতের মিল হয়নি। সৃজনশীল বিষয়ে এই পার্থক্য বা 'ক্রিয়েটিভ ডিফারেন্স'-এর কারণেই শেষ পর্যন্ত সহমত হয়েই এই প্রজেক্ট থেকে নিজেকে গুটিয়ে নিয়েছেন আমির।
















