ব্রাত্য বসু

ব্রাত্য বসু

প্রার্থী সম্পর্কে:  ব্রাত্য বসু বাংলা ও ভারতের থিয়েটার, সিনেমার অভিনয়, পরিচলনা ও রচনার জগতে উল্লেখযোগ্য নাম। সেই সঙ্গে তিনি একজন থিয়েটার গবেষক, ঔপন্যাসিকও বটে। ২০২১ সাল থেকে পশ্চিমবঙ্গের শিক্ষামন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন তিনি। তিনি প্রথম মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের মন্ত্রিসভাতেও একই পদে ছিলেন । ২০১৬ সালের মে মাসে তাঁকে পর্যটন , বিজ্ঞান প্রযুক্তি ও জৈব-প্রযুক্তি এবং তথ্য প্রযুক্তি ও ইলেকট্রনিক্স দফতরের মন্ত্রীর দপ্তরগুলির দায়িত্ব দেওয়া হয় ।তিনি ২০১১ সালের পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনের সময় থেকে দমদম নির্বাচনী এলাকা থেকে বিধায়ক নির্বাচিত হন। ব্রাত্য বসু বর্তমানে পশ্চিমবঙ্গ তথ্য ও সংস্কৃতি দফতরের অধীনে পশ্চিমবঙ্গ বাংলা আকাদেমি এবং মিনার্ভা নাট্যসংস্কৃতি চর্চাকেন্দ্রের চেয়ারপার্সন।

এই আসনের প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বীরা:  মযুখ বিশ্বাস।

কীভাবে এলেন রাজনীতিতে

প্রেসিডেন্সি কলেজে পড়াকালীন ছাত্ররাজনীতির সঙ্গে তিনি জড়িত ছিলেন। সিঙ্গুর নন্দীগ্রাম আন্দোলনের সময় তিনি বাংলার বুদ্ধিজীবী মহলের সামনের সারিতে থেকে জমি অধিগ্রহণ বিরোধী আন্দোলনে জড়িয়ে পড়েন। পরবর্তীতে তিনি বর্তমান শাসক দল তৃণমূলের সংস্পর্শে আসেন। সেই সময়ে আন্দোলনের মুখ বহু বুদ্ধিজীবীকে তৃণমূল লোকসভা ও বিধানসভা নির্বাচনে প্রার্থী করে, ব্রাত্য সেই সময়েই দমদম কেন্দ্রে প্রার্থী হয়েছিলেন।

প্রাতঃরাশে পাতে কী?

প্রাতঃরাশে পাতে কী?

চা, বিস্কুট।

নেতার প্রিয় অভিনেতা?

নেতার প্রিয় অভিনেতা?

ফাওয়াদ ফাজিল।

নেতার প্রিয় গায়ক?

নেতার প্রিয় গায়ক?

দেবব্রত বিশ্বাস।

ভাষণের বাইরে পড়েন যাঁকে?

ভাষণের বাইরে পড়েন যাঁকে?

জেমস জয়েসের আত্মজীবনী।

থিয়েটার...থিয়েটার...থিয়েটার

নাটকের জন্য আজীবন কাজ করে চলেছেন তিনি। দীর্ঘদিন তিনি সরাসরি থিয়েটারের মঞ্চে আসেননি, কিন্তু থিয়েটার সম্পর্কিত নানা কাজে তিনি জড়িয়ে আছেন সর্বদা। তিনি ইতিমধ্যে সাহিত্য আকাদেমি পুরস্কারে ভূষিত হয়েছেন। তাঁর নাটক লেখার কাজও সমান তালে চলছে।

সিনেমা...সিনেমা..সিনেমা

থিয়েটারের পাশাপাশি তিনি একের পর এক সিনেমা পরিচলনার কাজও করে চলেছেন, পর্দায় অভিনয়ও করে চলেছেন সমান তালে। তিনি সম্প্রতি করছেন তাঁর পরবর্তী ছবি শেকড়ের কাজ। এর আগে হুব্বা শিরোনামে তিনি একটি ছবি পরিচলনা করেছিলেন। তিনি ছবি পরিচালনার কাজ শুরু করেছিলেন ২০০৩ সালে রাস্তা নামে একটি ছবির মধ্যে দিয়ে। এ ছাড়াও সম্প্রতি সৃজিত মুখোপাধ্যায় পরিচালিত 'লহ গৌরাঙ্গের নাম রে' ছবিতে তিনি গিরিশ ঘোষের চরিত্রে অভিনয় করেছেন, পাশাপাশি, অরিন্দম শীল পরিচালিত 'কর্পূর' ছবিতেও তিনি উল্লেখযোগ্য ভূমিকায় অভিনয় করেছেন।

সাহিত্যের নানা মহলে

দীর্ঘদিন ধরে সাহিত্যের আঙিনায় উল্লেখযোগ্য় পদচারণা করে চলেছেন ব্রাত্য়। তিনি যেমন নাটক লিখেছেন দীর্ঘদিন ধরে, তেমনই গবেষণামূলক লেখাও সমান তালে লিখেছেন। তিনি ইতিমধ্যে লিখেছেন তিনটি উপন্যাস, উদ্ভাসিত মান্দাস, দ্যুতক্রীড়ক ও অদামৃতকথা। এই তিনটি উপন্যাসই পাঠকদের মধ্যে বিপুল সাড়া ফেলেছে।

নেতা যখন ভবঘুরে

নেতা যখন ভবঘুরে..

জঙ্গল।

রঙচঙে নেতা

রঙচঙে নেতা

কালো।

সবসময়ের সঙ্গী

সবসময়ের সঙ্গী

ওয়াইফাই।