বিকাশরঞ্জন ভট্টাচার্য

প্রার্থী সম্পর্কে: বিকাশরঞ্জন ভট্টাচার্য কমিউনিস্ট পার্টি (মার্ক্সবাদী)-এর সদস্য। পেশাগতভাবে তিনি আইনজীবী। তৃণমূল কংগ্রেস পার্টির সাবেক মেয়র সুব্রত মুখার্জিকে নির্বাচনে হারিয়ে তিনি কলকাতায় জয়লাভ করেন । তিনি ৫ বছর ধরে ত্রিপুরায় অ্যাডভোকেট জেনারেল হিসেবে নিযুক্ত ছিলেন। সিনিয়র অ্যাডভোকেট হিসেবে তিনি সারদা, নারদা ইত্যাদি মামলা লড়েছেন। কলকাতা পৌরসংস্থার মহানাগরিক হিসাবেও কাজ করেছেন তিনি।
এই আসনের প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বীরা: দেবব্রত মজুমদার।
রাজনীতিতে প্রবেশ ঠিক কী ভেবে?
কলেজজীবনে প্রবেশের সময় তৎকালীন রাজনীতিতে বিশেষ একটি ঘটনা- রাজভবনে ধরমবীর একটি নির্বাচিত সরকারকে ফেলে প্রফুল্ল ঘোষকে সরিয়ে অজয় মুখার্জীকে আনেন। সসময় বিধানসভার স্পীকার বিজয় ব্যানার্জী( তখন হাজরা রোডের বাসিন্দা) অসাধারণ একটি রায় দেন। এসবের নিরিখে অনৈতিকতার বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করতে গিয়েই, খানিকটা আবেগতাড়িত হয়েই রাজনীতিতে প্রবেশ।
প্রাতঃরাশে পাতে কী?
পৃথিবীর বুকে আজও বহুসংখ্যক মানুষ যেখানে খিদের সাথে লড়াই করছে রোজ, সেখানে ব্রেকফাস্টের মেনু নিয়ে আলোচনা অশ্রেয়,অশোভন। কারণ তাদের খিদে মেটানোর লড়াইটাই প্রথম সারির লড়াই ।
নেতার প্রিয় অভিনেতা?
সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায়, বর্তমানে শাশ্বত চট্টোপাধ্যায়।
নেতার প্রিয় গায়ক?
হেমন্ত মুখোপাধ্যায়।
ভাষণের বাইরে পড়েন যাঁকে?
সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়, চন্দন দাশের লেখা "বাংলার সর্বনাশের দেড় শতক"।
রাজনীতি ছাড়া এইমুহুর্তে ব্যক্তিগত জীবনে কী চলছে?
ব্যক্তিজীবনের নীতি ও রাজনৈতিক আদর্শ পরস্পর ওতোপ্রোতোভাবে জড়িত। তাই রাজনৈতিক জীবনটাই ব্যক্তিজীবন। দুটো পৃথক নয়।
আসনের প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বীরা
লড়াইটা সরাসরি বামপন্থার সাথে দক্ষিণপন্থার। তাই সামগ্রিক ভাবে সব দক্ষিণপন্থীরা ও তাদের দলমতই মুল প্রতিদ্বন্দ্বী। এক্ষেত্রে মধ্যপন্থার কোনও প্রাসঙ্গিকতা নেই।
নেতা যখন ভবঘুরে..
এটা নির্ভর করে পকেটে জমানো পুঁজির ওপর। তাই এই প্রশ্নটিও মুলগতভাবে বিলাসিতা ও পুঁজিবাদের দিকনির্দেশক। তবে হ্যাঁ,যেকোনো স্থানই তার নিজস্ব ঐতিহ্য ও সংস্কৃতির সম্ভারে সমৃদ্ধ। তাই সময় পেলে সম্ভবপর স্থানভ্রমণ।
রঙচঙে নেতা
নীল আকাশ।
সবসময়ের সঙ্গী
বই।
কোন নীতিতে রাজনীতিতে
ছাত্রজীবন থেকেই প্রতিবাদী চরিত্র ও সত্যপ্রিয়তা এর মুলগত ভিত্তি। পরিণত অবস্থায় বাম মতাদর্শের বিষয়ে পড়াশুনো ও এর চর্চা একটা নির্দিষ্ট অবস্থান নির্ধারণে পাথেয় হয়।






