আজকাল ওয়েবডেস্ক: বিধানসভায় পিএসি চেয়ারম্যান কে হবেন, গত কয়েকদিন ধরেই তা নিয়ে জল্পনা ছিল। বিরোধী দলের মধ্যে তৃণমূলের দুই শিবিরের মোট ছ'জন বিধায়কের নাম আগেই জানা গিয়েছিল ২০ জনের কমিটিতে। ঋতব্রত শিবিরের কোনও এক বিধায়কই হতে পারেন বিধানসভার পিএসি কমিটির চেয়ারম্যান, তা নিয়ে জল্পনা শুরু হয়। জল্পনা ছিল- বিপ্লব মিত্র, ফিরহাদ হাকিম, গোলাম রাব্বানী, তিন নাম নিয়ে। তবে সোমে জল্পনা তীব্র হয় এই তিন নাম নয়, চেয়ারম্যান হতে পারেন উত্তরবঙ্গের বিধায়ক। তবে এখনও এই বিষয়ে নিশ্চিত তথ্য সামনে আসেনি, কে হচ্ছেন পিএসি অর্থাৎ পাবলিক অ্যাকাউন্টস কমিটির চেয়ারম্যান।
২০২৬-এর বিধানসভা ভোটে ইসলামপুর থেকে তৃণমূলের টিকিটে ভোট জেতেন কানাইয়ালাল। তবে দলের ভরাডুবির মাঝেই তিনি ঋতব্রত শিবিরে যোগ দিয়েছেন। ঋতব্রত শিবির থেকেই, কমিটিতে তাঁর নামও গিয়েছিল। উল্লেখ্য, দিনকয়েক আগেই ২০ সদস্যের নাম জমা পড়ে শাসক-বিরোধী দুই পক্ষ থেকে। তারমধ্যে তৃণমূলের দুই শিবিরের মোট ছ'জনের নাম ছিল। ঋতব্রত ব্যানার্জির শিবিরের তরফে পাঁচটি নাম প্রস্তাব করা হয়। অন্যদিকে, কালীঘাট তৃণমূলের পক্ষ থেকে জমা পড়ে একমাত্র অশোক দেবের নাম। ২০ জনের কমিটির, বাকি ১৪ জন বিধায়ক শাসক শিবিরের।
ঋতব্রত ব্যানার্জির শিবিরের প্রস্তাবিত সদস্যরা হলেন— বিপ্লব মিত্র, ফিরহাদ হাকিম, গোলাম রাব্বানী, কানাইয়ালাল আগরওয়াল, সমর মুখার্জি, সূত্রের খবর তেমনটাই। বিধানসভার প্রচলিত রীতি অনুযায়ী, এই ছয় সদস্যের মধ্য থেকেই পাবলিক অ্যাকাউন্টস কমিটির চেয়ারম্যান নির্বাচিত হওয়ার কথা ছিল। হলও তাই।
পাবলিক অ্যাকাউন্টস কমিটি রাজ্যের বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের ব্যয়, মহালেখা পরীক্ষকের (CAG) রিপোর্ট এবং সরকারি অর্থ ব্যয়ের জবাবদিহি খতিয়ে দেখার ক্ষেত্রে বিধানসভার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ কমিটি। তাই এই কমিটির চেয়ারম্যান নির্বাচন রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক— উভয় দিক থেকেই তাৎপর্যপূর্ণ। ২০২৬-এর ভোট এবং পালাবদলের পর থেকেই পিএসসি ইস্যুতে উঠে আসছিল তৃণমূল জমানার ঘটনাসমূহ। যেখানে মুকুল রায় বিজেপির হয়ে ভোট জিতে, তৃণমূলে যাওয়ার পরেও, তাঁকেই পিএসি চেয়ারম্যান করা হয়েছিল। তা নিয়ে রাজনৈতিক মহলে জোর চর্চা হয়েছিল।
















