আজকাল ওয়েবডেস্ক: হুগলীর গোঘাটে এক চাঞ্চল্যকর ও মর্মান্তিক পারিবারিক হিংসার ঘটনা সামনে এসেছে। আক্রান্ত যুবক কুন্তল পাল অভিযোগ করেছেন, স্ত্রীর পাশে শুতে চাওয়াই তাঁর জন্য বড় বিপদের কারণ হয়ে দাঁড়ায়। কুন্তলবাবুর দাবি অনুযায়ী, তিনি স্ত্রীর কাছে শুতে গেলে স্ত্রী অত্যন্ত হিংসাত্মকভাবে তাঁর ওপর হামলা চালায় এবং তাঁর অণ্ডকোষ ধরে সজোরে টেনে ছিঁড়ে ফেলার চেষ্টা করে। এতে তাঁর অণ্ডকোষ মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত ও বিকৃত হয়, যার ফলে তিনি গুরুতর আহত হন।

ঘটনার পরপরই তাঁকে যন্ত্রণাকাতর অবস্থায় কামারপুকুর গ্রামীণ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। পরে অবস্থার অবনতি হলে চিকিৎসকরা তাঁকে আরামবাগ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তরিত করেন, যেখানে তিনি চিকিৎসাধীন রয়েছেন। হাসপাতালে শুয়ে কুন্তল পাল জানান, প্রায় দু'বছর আগে দেখাশোনার মাধ্যমে তাঁদের বিয়ে হয় এবং তাঁদের এক বছরের একটি কন্যাসন্তান রয়েছে। তবে গত ছ'মাস ধরে স্ত্রী তাঁকে নিজের কাছে শুতে দিচ্ছিলেন না এবং আলাদা ঘরে থাকার নির্দেশ দিয়েছিলেন। কুন্তলবাবুর অভিযোগ, স্ত্রী অন্য কারও সাথে ফোনে কথা বলতেন এবং ক্রমাগত অশান্তি সৃষ্টি করতেন।

তিনি আরও দাবি করেন, এর আগেও স্ত্রী নানাভাবে তাঁর ওপর শারীরিক অত্যাচার চালিয়েছেন; কখনও জলের বোতল দিয়ে মারধর করা, তো কখনও দেওয়ালে মাথা ঠুকে প্রাণনাশের চেষ্টা করা। বাপের বাড়ির লোকজনের উস্কানিতে ও জমি লিখে দেওয়ার দাবিতে এই ধরনের পরিকল্পিত হামলা চালানো হচ্ছে বলে তাঁর অভিযোগ। কুন্তলবাবু সুস্থ হয়ে ওঠার পর স্ত্রীর বিরুদ্ধে থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করবেন বলে জানিয়েছেন। পুলিশ পুরো বিষয়টি খতিয়ে দেখার আশ্বাস দিয়েছে।