বুধবার ২৪ এপ্রিল ২০২৪

সম্পূর্ণ খবর

Tollywood: ‘সাদা রঙের পৃথিবী’ রঙিন অরূপ-দেবাশিসের ছোঁয়ায়! মোবাইল আসক্তি নিয়ে ব্রাত্যর ভর্ৎসনা

নিজস্ব সংবাদদাতা | ২৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ ১৬ : ১৫


বলিউড বাংলা ছবিতে যতই ‘ঘটিয়া’ বলুক, টলিউড আজও নতুন বাংলা ছবিমুক্তির দিন হাউজফুল বোর্ডের স্বপ্ন দেখে। পরিচালক, অভিনেতারা আশা করেন, দর্শক ভালবেসে দেখতে আসবেন তাঁদের কাজ। কিন্তু করোনাকাল যে সেই অভ্যেসে দাঁড়ি টেনেছে। এখন দর্শক ওটিটি মুক্তির দিকে তাকিয়ে। ছ’ইঞ্চির মুঠোফোনকেই বেশি আপন মেনেছে। হলে বলে ছবি দেখার আকর্ষণ আগের মতো নেই। শুক্রবার শহরের প্রথম সারির মাল্টিপ্লেক্সে মুক্তি পেল রাজর্ষি দে-র ‘সাগা রঙের পৃথিবী’। সেখানেই দর্শকদের মোবাইলপ্রীতি নিয়ে ভর্ৎসনা জানালেন মন্ত্রী ব্রাত্য বসু। বললেন, ‘‘মানুষের পরিধি ক্রমশ কমছে। মাত্র ৬ ইঞ্চিতেই বন্দি।’’



রাজর্ষির ছবি মানেই তারকাখচিত। সদ্য মুক্তি পাওয়া ছবিতে টলিউডের ১৯ তারকা উপস্থিত। তাঁরাই প্রিমিয়ারে হাজার ওয়াটের ঝলকানি! শ্রাবন্তী চট্টোপাধ্যায়, সৌরসেনী মৈত্র, দেবলীনা কুমার, রিচা শর্মা, অনন্যা বন্দ্যোপাধ্যায়, স্নেহা চট্টোপাধ্যায়, দেবশ্রী গঙ্গোপাধ্যায়.... সবাই সাদা রঙ গায়ে জড়িয়ে উপস্থিত। তাল মিলিয়ে একই ভাবে শ্বেতশুভ্র মন্ত্রী অরূপ বিশ্বাস, বিধায়ক দেবাশিস কুমার, অভিনেতা এবং দেবলীনার স্বামী গৌরব চট্টোপাধ্যায়। ছবিতে বিশেষ ভূমিকায় অভিনয় করেছেন পরিচালক শুভ্রজিৎ মিত্র। দ্বৈত চরিত্রে শ্রাবন্তী চট্টোপাধ্যায়। তাঁর এক চরিত্রের স্বামীর ভূমিকায় তিনি।



এর আগে একান্ত সাক্ষাৎকারে রাজর্ষি আজাল ডট ইনকে বলেছিলেন, ‘‘কোনও ঘনিষ্ঠ দৃশ্য নেই। চুম্বন দৃশ্যও নেই। কাশীতে বিধবাদের প্রকৃত অবস্থান তুলে ধরেছি। তাঁদের সঙ্গে অনবরত ঘটতে থাকা অন্যায় সামনে আনছি। তাতেই নড়ে বসেছে বোর্ড। ছবি অ্যাডাল্ট শংসাপত্র পেল! সব দেখেশুনে গায়ে কাঁটা দিচ্ছে। মনে হচ্ছে, বিশাল কিছু করে ফেলেছি।’’ প্রিমিয়ারের দিন তাঁর অনুরোধ, প্রত্যেকে প্রচণ্ড পরিশ্রম আর যত্ন করে ছবিটি বানিয়েছেন। সমাজের জ্বলন্ত সমস্যা তুলে ধরার চেষ্টা করা হয়েছে। দর্শকেরা বড় পর্দায় না দেখলে কিছুই বুঝতে পারবেন না। প্রিমিয়ারের শেষে শ্রাবন্তী ব্যক্তিগত ভাবে প্রত্যেকের কাছে জানতে চান, ছবি কেমন হয়েছে? বলেন, ‘‘সবাইকে ‘সাদা রঙের পৃথিবী’ হলে এসে দেখতে হবে।’’



একুশ শতক। কিন্তু বিধবাদের সাদা দুনিয়া কতটা রঙিন হল? আদৌ রঙিন হল? নাকি সাদার আড়ালে কালোর ছায়া আজও প্রবল! এমনই প্রশ্নের উত্তর খুঁজেছেন শ্রাবন্তী, অনন্যা, সৌরসেনী, রিচা, দেবশ্রী। ছবি ফাঁস, কাশী বা বৃন্দাবনে যে সমস্ত বিধবা আশ্রয় নেন তাঁদের জীবন একটুও নিরাপদ নয়। তাঁরা পাচার হয়ে যান বিদেশে। অনেক সময় তাঁদের জন্য তৈরি আশ্রমকে সামনে রেখে যাবতীয় সুবিধে ভোগ করে প্রতিষ্ঠানের কর্ণধার। রাজর্ষির দাবি, ‘‘আমার এক বন্ধু প্রথম বিষয়টির উপরে আলোকপাত করেছিল। সঙ্গে সঙ্গে মনে হল আধুনিকতা, সভ্যতার মুখোশ তা হলে খুলে দেখাই! সেই ভাবনা থেকে অনেক গবেষণার ফসল এই ছবি।’’ কলকাতা, বারাণসী মিলিয়ে হয়েছে ছবির শুট। 

 



বিশেষ খবর

নানান খবর

WORLD BOOK and COPYRIGHT DAY #aajkaalonline #WorldBookandCopyrightDay

নানান খবর

সোশ্যাল মিডিয়া