পেশাজীবন শুরুই হয়েছে ক্ল্যাপস্টিক দিয়ে। তার আগে নিজে বারবার স্টার্ট সাউন্ড, ক্যামেরা, অ্যাকশন শব্দগুলো উচ্চারণ করেছেন। ওই শব্দ কানে গেলে তিনি চনমনে। এই শব্দ ঘিরে তাঁর ঝুড়ি ঝুড়ি স্মৃতি। উত্তমকুমার, শক্তি সামন্ত হয়ে, ভিক্টর বন্দ্যোপাধ্যায়, ঋতুপর্ণা সেনগুপ্ত কিংবা টোটা রায়চৌধুরী— কাজের অভিজ্ঞতা অগুন্তি। ছায়াছবির অজস্র গল্প তাঁর ঝুলিতে। সেই ক্ল্যাপস্টিক আবারও ফিরতে চলেছে তাঁর জীবনে। এবার দুই মলাটে বন্দি হয়ে, তাঁর আত্মজীবনী রূপে। পরিচালক প্রভাত রায় সে কথা শনিবার সকালে ঘোষণা করতেই সাড়া পড়ে গিয়েছে।
ইতিমধ্যেই প্রবীণ পরিচালক লিখেছেন, ‘জীবনের এত গুলো বছর কোথা দিয়ে কেটে গেল, কীভাবে কেটে গেল কখন খেয়ালই করিনি। একদিন প্রথম সারির বিশিষ্ট সাংবাদিক বললেন, আপনার এই লম্বা জীবনের কথা নিয়ে কিছু লিখুন। কিন্তু লেখার উৎসাহ পাচ্ছিলাম না। এমন সময় আমার মেয়ে একতা ভট্টাচার্য বলল, তুমি তোমার জীবনের কথা বল। আমি লিখব। দিনের পর দিন ও আমার সঙ্গে বসে আমার জীবনের কথা শুনে লিখছে আমার আত্মজীবনী।’
জীবন মানেই সাদা-কালো। সেখানে কখনও রঙের প্রলেপ কখনও কেবলই ধূসর। ঠিক যেভাবে ভাল-মন্দের সহবাস ঘটে দীর্ঘ জীবনে। সেগুলো নিজের লেখার বদলে নিজমুখে বলা কি একটু অস্বস্তির? জানতে আজকাল ডট ইন যোগাযোগ করেছিল প্রভাত রায়ের সঙ্গে। প্রবীণ পরিচালক অকপট, ‘‘আমি আমার কাজ নিয়ে বলেছি। আমার ব্যক্তিজীবন বা কারও ব্যক্তিজীবন নয়।’’ ফলে, তাঁর কোনও অস্বস্তি হয়নি। এও জানিয়েছেন, তাঁর জীবনে প্রচুর অভিজ্ঞতা, অনেক অজানা কথা। যা তিনি তুলে ধরতে চলেছেন। পুরনো দিনের গল্পও তাতে থাকবে। পরিচালক জানেন, আত্মজীবনীতে কিছু লুকোতে নেই! একতা আজকাল ডট ইনকে জানিয়েছেন, তাঁর "বাবি"র জীবনের অত্যন্ত আকর্ষণীয় এবং অনুপ্রেরণামূলক প্রচুর গল্প থাকছে বইয়ে।
তাঁর আরও বক্তব্য, ফেব্রুয়ারিতে ‘ক্ল্যাপস্টিক’-এর প্রচ্ছদ প্রকাশের পরিকল্পনা আছে। দীপ প্রকাশনকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন। প্রকাশনা সংস্থা তাঁর জীবনকে রঙিন, সাদা-কালো ছবিতে সাজিয়ে পরিবেশন করতে চলেছে। কেন জন্মদিনে ‘ক্ল্যাপস্টিক’? পরিচালকের যুক্তি, ‘‘আমার মেয়ে একতা ঠিক করেছে, ৭ মার্চ আমার জন্মদিনে ‘ক্ল্যাপস্টিক’ প্রকাশ করবে। ক্ল্যাপস্টিক ঠুকেই তো শুরু করেছিলাম আমার জীবন।’’ পাশাপাশি এও শোনা যাচ্ছে, আবার ছবি পরিচালনায় ফিরতে চলেছেন তিনি। চিত্রনাট্য কয়েকটি তৈরি। তার ঘষামাজা চলছে। বইপ্রকাশের পর হয়তো শুট শুরু করতে পারেন। যদিও এই বিষয়ে এক্ষুণি মুখে খুলতে নারাজ প্রবীণ পরিচালক।
ইতিমধ্যেই প্রবীণ পরিচালক লিখেছেন, ‘জীবনের এত গুলো বছর কোথা দিয়ে কেটে গেল, কীভাবে কেটে গেল কখন খেয়ালই করিনি। একদিন প্রথম সারির বিশিষ্ট সাংবাদিক বললেন, আপনার এই লম্বা জীবনের কথা নিয়ে কিছু লিখুন। কিন্তু লেখার উৎসাহ পাচ্ছিলাম না। এমন সময় আমার মেয়ে একতা ভট্টাচার্য বলল, তুমি তোমার জীবনের কথা বল। আমি লিখব। দিনের পর দিন ও আমার সঙ্গে বসে আমার জীবনের কথা শুনে লিখছে আমার আত্মজীবনী।’
জীবন মানেই সাদা-কালো। সেখানে কখনও রঙের প্রলেপ কখনও কেবলই ধূসর। ঠিক যেভাবে ভাল-মন্দের সহবাস ঘটে দীর্ঘ জীবনে। সেগুলো নিজের লেখার বদলে নিজমুখে বলা কি একটু অস্বস্তির? জানতে আজকাল ডট ইন যোগাযোগ করেছিল প্রভাত রায়ের সঙ্গে। প্রবীণ পরিচালক অকপট, ‘‘আমি আমার কাজ নিয়ে বলেছি। আমার ব্যক্তিজীবন বা কারও ব্যক্তিজীবন নয়।’’ ফলে, তাঁর কোনও অস্বস্তি হয়নি। এও জানিয়েছেন, তাঁর জীবনে প্রচুর অভিজ্ঞতা, অনেক অজানা কথা। যা তিনি তুলে ধরতে চলেছেন। পুরনো দিনের গল্পও তাতে থাকবে। পরিচালক জানেন, আত্মজীবনীতে কিছু লুকোতে নেই! একতা আজকাল ডট ইনকে জানিয়েছেন, তাঁর "বাবি"র জীবনের অত্যন্ত আকর্ষণীয় এবং অনুপ্রেরণামূলক প্রচুর গল্প থাকছে বইয়ে।
তাঁর আরও বক্তব্য, ফেব্রুয়ারিতে ‘ক্ল্যাপস্টিক’-এর প্রচ্ছদ প্রকাশের পরিকল্পনা আছে। দীপ প্রকাশনকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন। প্রকাশনা সংস্থা তাঁর জীবনকে রঙিন, সাদা-কালো ছবিতে সাজিয়ে পরিবেশন করতে চলেছে। কেন জন্মদিনে ‘ক্ল্যাপস্টিক’? পরিচালকের যুক্তি, ‘‘আমার মেয়ে একতা ঠিক করেছে, ৭ মার্চ আমার জন্মদিনে ‘ক্ল্যাপস্টিক’ প্রকাশ করবে। ক্ল্যাপস্টিক ঠুকেই তো শুরু করেছিলাম আমার জীবন।’’ পাশাপাশি এও শোনা যাচ্ছে, আবার ছবি পরিচালনায় ফিরতে চলেছেন তিনি। চিত্রনাট্য কয়েকটি তৈরি। তার ঘষামাজা চলছে। বইপ্রকাশের পর হয়তো শুট শুরু করতে পারেন। যদিও এই বিষয়ে এক্ষুণি মুখে খুলতে নারাজ প্রবীণ পরিচালক।
















