আজকাল ওয়েবডেস্ক: চেন্নাই সুপার কিংসের সাপোর্ট স্টাফে কি আরও বড় পরিবর্তনের ইঙ্গিত? দীর্ঘদিনের হেড কোচ স্টিফেন ফ্লেমিং ফ্র্যাঞ্চাইজি ছাড়ার পর এবার সিএসকের ব্যাটিং কোচ মাইকেল হাসিরও বিদায়ঘণ্টা বেজে গেল? ইংল্যান্ড দলের কোচিং স্টাফে অজি তারকাকে নিতে চান তিনি। অস্ট্রেলিয়ার সংবাদমাধ্যমের একটি প্রতিবেদনে এমনই দাবি করা হয়েছে। সম্প্রতি ইংল্যান্ডের টেস্ট দলের হেড কোচ হিসেবে নিযুক্ত হন ফ্লেমিং। দায়িত্ব পাওয়ার পরই প্রাক্তন নিউজিল্যান্ড অধিনায়ক মাইকেল হাসির সঙ্গে যোগাযোগ করেন। ইংল্যান্ডের নতুন ব্যাটিং কোচ হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার বিষয়ে তিনি আগ্রহী কিনা জানতে চেয়েছেন। যদিও এখনও পর্যন্ত ইংল্যান্ড অ্যান্ড ওয়েলস ক্রিকেট বোর্ড আনুষ্ঠানিকভাবে কোনও প্রস্তাব দেয়নি। তবে ফ্লেমিংয়ের প্রথম পছন্দ হিসেবে হাসির নাম উঠে এসেছে। চেন্নাইয়ে দীর্ঘদিন একসঙ্গে কাজ করার সুবাদে দু'জনের মধ্যে সম্পর্ক ভাল।

বর্তমানে দ্য হান্ড্রেড-এ ওয়েলশ ফায়ারের কোচিং স্টাফের অংশ হাসি। পাশাপাশি তিনি আইপিএলের পাঁচবারের চ্যাম্পিয়ন চেন্নাই সুপার কিংসের ব্যাটিং কোচও। ইংল্যান্ডের দায়িত্ব নেবেন কিনা, সেই বিষয়ে এখনও চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেননি অস্ট্রেলীয় তারকা।ফ্লেমিং এবং হাসির দীর্ঘদিনের পেশাদার সম্পর্ক রয়েছে। ২০০৮ সালে আইপিএলের উদ্বোধনী সংস্করণে দু'জনেই চেন্নাই সুপার কিংসের হয়ে খেলেছিলেন। এরপর ফ্লেমিং হেড কোচ এবং হাসি ব্যাটিং কোচ হিসেবে দীর্ঘ সময় একসঙ্গে কাজ করেছেন। যদি এই নিয়োগ বাস্তবায়িত হয়, তাহলে ২০১৩ সালে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট থেকে হাসির অবসরের প্রায় ১৪ বছর পর ফের একবার অ্যাশেজে চিরশত্রুদের মুখোমুখি হবেন। তবে এবার অন্য ভূমিকায়। 

ডিসেম্বরে দক্ষিণ আফ্রিকার বিরুদ্ধে তিন ম্যাচের টেস্ট সিরিজ দিয়ে ইংল্যান্ড দলের হেড কোচ হিসেবে যাত্রা শুরু হবে ফ্লেমিংয়ের। তার আগে ১৯ আগস্ট থেকে পাকিস্তানের বিরুদ্ধে তিন ম্যাচের টেস্ট সিরিজে অন্তর্বর্তীকালীন হেড কোচের দায়িত্ব পালন করবেন ইংল্যান্ডের প্রাক্তন ক্রিকেটার মার্কাস ট্রেস্কোথিক। একটি রিপোর্ট অনুযায়ী, পাকিস্তান সিরিজে অস্ট্রেলিয়ার ডেভিড সেকার বোলিং কোচ হিসেবে দায়িত্বে থাকলেও, ভবিষ্যতে সেই পদে দক্ষিণ আফ্রিকার এরিক সিমন্সকে আনতে আগ্রহী ফ্লেমিং। সিমন্স বর্তমানে চেন্নাই সুপার কিংসের বোলিং পরামর্শদাতা। এছাড়া ২০১১ সালে ভারতের বিশ্বকাপজয়ী দলের বোলিং কোচ ছিলেন। দক্ষিণ আফ্রিকা দলের সঙ্গেও কাজ করার অভিজ্ঞতা রয়েছে তাঁর। ফলে স্টিফেন ফ্লেমিংয়ের ইংল্যান্ড অধ্যায় শুরু হওয়ার আগেই সিএসকের কোচিং সেটআপ থেকে আরও পরিচিত মুখ বিদায় নিতে পারে কিনা, সেই নিয়ে ক্রিকেট মহলে জল্পনা আরও জোরালো হয়েছে।