আজকাল ওয়েবডেস্ক: বুধবার ভার্চুয়ালি বার্তা দেন বাংলাদেশের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। জল্পনা ছিল, তিনি হয়তো বুধবারেই জানিয়ে দেবেন তাঁর প্রত্যাবর্তনের দিনক্ষণ। যদিও তা সেদিন খোলসা করলেন না হাসিনা।
তাঁর বক্তব্য শেষে প্রশ্ন করা হয়, কবে দেশে ফিরছেন? নির্দিষ্ট দিন না জানালেও, হাসিনা জানান, 'ডিসেম্বর বিজয়ের মাস। ডিসেম্বরেই আমি ফিরে যেতে চাই।' তারপরেই তিনি বলেন, তিনি জানেন, দেশে ফিরলেই একাধিক সমস্যার মুখোমুখি হবেন তিনি, জেনেই তিনি চান ফিরতে, নিজের দেশে।
বুধবার বক্তব্যে হাসিনা বললেন, তিনি ফিরবেন দেশে, ফিরবে আওয়ামী লিগও। তবে এবার আর ক্ষমতার জন্য নয়, ফিরবেন দেশের মানুষের পাশে দাঁড়াতে। হাসিনা বলেন, 'আমি নিজেকে নিয়ে চিন্তিত নই, চিন্তিত বাংলাদেশের জনগণকে নিয়ে। আমি ফিরতে চাই, কারণ নিরাপত্তা, উন্নয়ন, শান্তি বাংলাদেশের মানুষের প্রাপ্য।'
একইসঙ্গে তিনি বলেন, 'আমার এবং আওয়ামী লিগের প্রত্যাবর্তন গণতান্ত্রিক পদ্ধতির কাছে, ক্ষমতার জন্য নয়, ফিরব বাংলাদেশকে সঠিক পথে চালিত করার জন্য। বাংলাদেশকে উন্নয়নের পথে চালিত করতে। আমি বাংলাদেশে ফিরতে চাই কেবল একটিই কারণে। বাংলাদেশের মানুষের পাশে দাঁড়াতে এবং তাঁদের জীবন যাত্রার উন্নতিতে সাহায্য করতে। আমি তাঁদের বিশ্বাস করি, ভালবাসি, আমি তাঁদের কাছে ফিরব।'
উল্লেখ্য, বুধবার বক্তব্যের শুরুতেই ভেঙে পড়েন হাসিনা। তোলেন পরিবারের কথা, ভাইয়ের কথা। ১৯৭১-এর কথা তুললেন হাসিনা। তুললেন ২০২৪-এর জুলাই আন্দোলনের কথাও। একদিকে যেমন অভিযোগ করলেন, তাঁর জমানার উন্নয়ন নষ্ট হওয়ার কথা, অন্যদিকে দিলেন পাশে থাকার প্রতিশ্রুতি। ২০২৪ সালের কোটাসংস্কার আন্দোলন শান্তিপূর্ণ আন্দোলন ছিল না বলেও দাবি করলেন পদ্মাপারের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী। একইসঙ্গে অভিযোগ করলেন, সেই সময় তাঁকে জোর করে সরিয়ে দেওয়া হয়েছিল। তিনি কোনওভাবেই তাঁর দেশের জনগণের থেকে বিচ্ছিন্ন হতে চাননি।
















