আজকাল ওয়েবডেস্ক: নাজকা লাইনস-এর উদ্দেশে রওনা দিয়েছিল বিমানটি। উড়ানের কয়েক মিনিটের মাথায় বিচ্ছিন্ন হয়ে যায় সংযোগ। তারপরেই দুর্ঘটনা। স্থানীয় সংবাদ মাধ্যম সূত্রে খবর, বিমান দুর্ঘটনায় চালক-সহ যাত্রী, সকলের মৃত্যু হয়েছে। উদ্ধার হয়েছে বিমানের ধ্বংসাবশেস।


বিমানটি ইউনেস্কো ওয়ার্ল্ড হেরিটেজ সাইট স্বীকৃতি দিয়েছে নাজকা লাইনসকে। জানা গিয়েছে, পর্যটকদের নিয়ে ওই গন্তব্যের উদ্দেশেই পাড়ি দিয়েছিল বিমানটি। স্থানীয় সংবাদমাধ্যম ও পেরুর কর্মকর্তাদের তথ্য অনুযায়ী, শনিবার 'সেসনা ক্যারাভান সি-২০৮' (Cessna Caravan C-208) মডেলের বিমানটি নাজকা লাইনস প্রত্নতাত্ত্বিক এলাকার ওপর দিয়ে ওড়ার সময় আচমকাই ভেঙে পড়ে। বিমানটিতে ১১ জন যাত্রী ও দু'জন পাইলট ছিলেন।

পেরুর রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা জানিয়েছে, যাত্রীদের মধ্যে দুজন জার্মান, দুজন স্প্যানিশ এবং সাতজন ইতালীয় পর্যটক ছিলেন। কিন্তু ঠিক কোন কারণে মাঝ আকাশে ভেঙে পড়ে বিমান, তা নিশ্চিত করে জানানো হয়নি এখনও। আন্তর্জাতিক সংবাদসংস্থা সূত্রে তথ্য, পুলিশ মেজর হোর্হে আন্দ্রেদে সকলের মৃত্যুর ঘটনা নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানিয়েছেন, 'দুর্ঘটনাটি অত্যন্ত ভয়াবহ হওয়ায় এতে কেউ বেঁচে নেই। আমরা এখনও পর্যন্ত চারটি মৃতদেহ উদ্ধার করেছি।'

পেরুর পিসকোর একটি বিমানবন্দর থে উড়ান শুরু করার পর, স্থানীয় সময় দুপুর একটা নাগাদ দুর্ঘটনা ঘটে। বিমানটি পেরুর স্থানীয় বিমান সংস্থা অ্যারোডিয়ানার ছিল।

রয়টার্সের তথ্য, বিমান সংস্থাটি এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, তারা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নির্দেশনা অনুযায়ী তাদের ফ্লাইটসূচি মূল্যায়ন করবে। 
উল্লেখ্য, ২০২২ সালে, নাজকা লাইনস স্থানের উপর দিয়ে যাওয়ার সময় আরেকটি ছোট পর্যটক বিমান ভেঙে পড়ে এবং বিমানে থাকা সাতজনেরে মৃত্যু হয়। ২০১০ সালে ঠিক ওই জায়গায় মৃত্যু হয় ছ'জনের।