আজকাল ওয়েবডেস্ক: কোটাসংস্কারের দাবিতে আন্দোলন। সেই আন্দোলনেই উত্তাল হয়েছিল ঢাকা, ধীরে ধীরে গোটা বাংলাদেশ। বিক্ষোভ বহুগুণ বেড়েছিল, হাসিনার এক মন্তব্যেই। জুলাই পেরিয়ে আগস্ট। চলমান আন্দোলনের ক্ষোভের মাঝেই, দেশ ছাড়েন হাসিনা। দেখতে গেলে, এই ৫ আগস্ট, হাসিনার দেশ ত্যাগের, পদ্মাপারের গণঅভ্যুত্থানের দ্বিতীয় বর্ষপূর্তি। আজই আবার হাসিনা ভার্চুয়ালি বক্তব্য রাখবেন। এসবের মাঝেই উঠে আসছে দু'বছর আগের, আজকের দিনের একটি কথোপকথন।

বাংলাদেশের সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, বিক্ষোভে উত্তাল ঢাকায়, সেই সময় একজনের একটি কথাই সাহায্য করে হাসিনাকে। বিক্ষুব্ধ জনগণ তখন হাসিনার তৎকালীন বাসভবন অর্থাৎ বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর বাসভবনের  দিকে এগোচ্ছে। তার মাঝেই হাসিনা দেশ ছাড়েন। জুলাইয়ের শেষ থেকেই দ্রুত বদলাচ্ছিল বাংলাদেশের সামগ্রিক পরিস্থিতি। দেশের প্রশাসনিক-রাজনৈতিক সমীকরণও বদলে যাচ্ছিল প্রতি দিন। 

ওই প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, পরিস্থিতি বিচারে চার আগস্ট মধ্যরাত পর্যন্ত বৈঠক হয় প্রধানমন্ত্রীর বাসভবনে। আন্দোলনদমন থেকে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখা, একাধিক বিষয় নিয়ে আলোচনা হয় বলেও খবর সূত্রের। সেখানে আরও উল্লিখিত, চার আগস্ট রাতেই সেনাপ্রধান ওয়াকার–উজ–জামান হাসিনাকে সেই সময়ের পরিস্থিতি বাস্তবতা সম্পর্কে স্পষ্ট ধারণা দিয়ে জানিয়ে দেন, হাতে আর বেশি সময় নেই তাঁর। 

 

পাঁচ আগস্ট, শেখ হাসিনা সকাল দশটা নাগাদ সেনাপ্রধানকে ডেকে নিজের পদত্যাগের সিদ্ধান্তের কথা জানিয়ে দেন মুজিব-কন্যা। তারপরেই ছাড়েন দেশ। সেনাপ্রধান তারপর থেকেই সরকার-হীন দেশের পরিস্থিত্রি সামলাতে, বৈঠক করেন সেনাপ্রধান। অন্যদিকে দেশ ছেড়ে ভারতে আসেন হাসিনা।