আজকাল ওয়েবডেস্ক: পরিবারকে ভাল রাখতে চেয়েছিলেন। সংসার চালাতে কাজের আশায় গিয়েছিলেন ভিন রাজ্যে। কিন্তু আর ফিরে আসা হল না। চরম দারিদ্র্যের কারণে ছত্তিশগড়ের শান্ত গ্রাম থেকে জম্মু ও কাশ্মীরে গিয়েছিলেন দীপক রাত্রে ও ভূপেন্দ্র ভৈনা। সামান্য রোজগারের জন্য গিয়ে, কাজ করতেন ইটভাটায়। শেষ পর্যন্ত তাঁরাই হলেন সন্ত্রাসবাদের শিকার।

শুক্রবার সন্ধেয় দক্ষিণ কাশ্মীরের কুলগাম জেলার কেলাম এলাকার ইটভাটাতেই গুলি করে হত্যা করা হয়।

 

দীপক রাত্রে, বয়স ২৪। প্রতিবন্ধী ভাই, বৃদ্ধা মা, স্ত্রী ও চার মাস বয়সী শিশুপুত্রের পরিবারে। আর রোজগারের একমাত্রর দীপক। শক্তি জেলার বুন্দেলি গ্রাম থেকে গিয়েছিলেন জম্মু-কাশীরে। স্ত্রী-সন্তান তাঁর সঙ্গেই গিয়েছিল। সংবাদমাধ্যমের দীপকের কাকু, পরিবারের অসহায়তার দিক তুলে ধরেছেন। তাঁর মা-ভাইয়ের কী হবে? ভেবে পাচ্ছেন না কেউ। গ্রামে শোকের ছায়া।

 

শোকের ছায়া সারানগড়-বিলাইগড় জেলাতেও। সেখানেও ঘটে গিয়েছে মর্মান্তিক ঘটনা। ২৮ বছর বয়সী ভূপেন্দ্র ভৈনা তিন মাস আগে স্ত্রী-সহ একটি ইটভাটায় কাজ করার জন্য জম্মু-কাশমীরে গিয়েছিলেন। 

 

ঘটনা প্রসঙ্গে সারানগড়-বিলাইগড়ের পুলিশ সুপার সুনীল শর্মা জানান, ওই দম্পতি তাঁদের চার বছরের ছেলেকে ভূপেন্দ্রর ঠাকুমা ও নাবালিকা বোনের কাছে রেখে গিয়েছিলেন, তাঁরবাবা-মা ও ভাই হিমাচলপ্রদেশে শ্রমিক হিসেবে কাজ করছিলেন।

 

 

ঘটনায় শোক প্রকাশ করেছেন সে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী। ঘটনা প্রসঙ্গে তিনি জানিয়েছেন, কর্মকর্তাদের প্রয়োজনীয় নির্দেশ দেওয়া হয়েছে এবং আশ্বাস দেন যে ছত্তিশগড় সরকার পরিবারগুলির পাশে থেকে সব ধরনের সহায়তা প্রদান করবে।