আজকাল ওয়েবডেস্ক: বিহারের বাঁকিপুর বিধানসভা কেন্দ্রের উপনির্বাচনে জয়লাভ করেছেন জনসূরজ পার্টির প্রতিষ্ঠাতা প্রশান্ত কিশোর। এই প্রথম তিনি কোনও ভোটে লড়লেন। জনসূরজ পার্টি, বিজেপি এবং আরজেডি প্রার্থীদের পাশাপাশি অনেক নির্দল প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। বাঁকিপুর কেন্দ্রে মোট ৩১ জন প্রার্থী নির্বাচনে লড়ছেন। নির্দল প্রার্থীদের মধ্যে ছিলেন লালু প্রসাদ যাদব এবং নীতীশ কুমার নামে দু’জন প্রার্থী। এই প্রার্থীরা তাঁদের নামের কারণে আলোচনায় ছিলেন। গণনা শেষে তাঁরা প্রাপ্ত ভোটের কারণে আবার আলোচনায় উঠে এসেছেন।
সোমবার সকাল থেকে ভোটগণনা শুরু হয়েছিল। মোট ৩২ রাউন্ড গণনা হয়েছে। গণনা শেষে নির্দল প্রার্থী লালুপ্রসাদ যাদবের প্রাপ্ত ভোট মাত্র ৮১। অন্যদিকে, নীতিশ কুমারের প্রাপ্ত ভোট ১৪৯। সবচেয়ে অবাক করা বিষয়ে এই দুই প্রার্থীর চেয়ে বেশি ভোট পড়েছে ‘নোটা’তে। ৩২ রাউন্ড শেষে নোটায় ভোট পড়েছে ৬৪৬টি।
৪৬ বছর বয়সী লালুপ্রসাদ যাদব এখনও পর্যন্ত ১৩টিরও বেশি নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছেন। তিনি শরণ জেলার মাধৌরা ব্লকের জাদো রহিমপুরের বাসিন্দা। আজ পর্যন্ত কোনও নির্বাচনে জয়ী হননি লালু। কিন্তু নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার ইচ্ছে তাঁর অদম্য। লালুপ্রসাদ মাধৌরা মহকুমা আদালতের একজন আইনজীবী। তিনি পঞ্চায়েত স্তরে নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা শুরু করেন এবং সভাপতি নির্বাচনের জন্যও মনোনয়নপত্র দাখিল করেন। লালুর মতে, তিনি সমাজের উন্নতির জন্য নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে চান, যাতে তিনি সমাজের জন্য কিছু করতে পারেন।

বাঁকিপুর বিধানসভা উপনির্বাচনে প্রথম ভোটে দাঁড়িয়েছিলেন পিকে। অভিষেকেই বাজিমাত করেছেন তিনি। ১৯ হাজার ৩২৪ ভোটে জয়লাভ করেছেন। পিকে-র প্রাপ্ত ভোট ৬৪ হাজার ১৫১। প্রতিদ্বন্দ্বি বিজেপি প্রার্থী নীরজ কুমারের প্রাপ্ত ভোট ৪৪ হাজার ৮২৭।
বিজেপি নেতা নিতিন নবীন এপ্রিলে রাজ্যসভায় সাংসদ হিসেবে নির্বাচিত হওয়ার পরে বাঁকিপুরের বিধায়ক পদ থেকে ইস্তফা দেন। তারপরেই বাঁকিপুর আসনটি বিধায়কশূন্য হয়ে পড়ে। এই কারণে এখানে উপনির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। বিজেপি প্রথমে এই আসনে অভিষেক কুমার সিনহাকে টিকিট দিয়েছিল। পরে তিনি ‘পারিবারিক কারণ’ দেখিয়ে নাম প্রত্যাহার করে নেন। বিজেপি পরে যুবমোর্চার নেতা নীরজ কুমারকে প্রার্থী করে। বাঁকিপুর ছাড়াও ভোট হয়েছিল, দাতিয়া, মধ্যপ্রদেশ, মঞ্জলপুর, গুজরাটে। এক আসনে কংগ্রেস এবং এক আসনে জয় ছিনিয়ে নিয়েছে বিজেপি।
















