বিউ সরকার: কেরলের এর্নাকুলমে ১ ও ২ আগষ্ট সংগঠনের কেন্দ্রীয় কার্যসমিতির বৈঠক হয়েছে। নিটকাণ্ডের পরে বিজেপি এবং অবিজেপি-শাসিত বিভিন্ন রাজ্যের প্রশ্ন ফাঁসের ঘটনা নিয়ে এ বার সরব হল রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সঙ্ঘের ছাত্র সংগঠন এবিভিপি।
সেখানে গৃহীত সিদ্ধান্তের বিষয়ে সোমবার বিবৃতি দিয়ে এবিভিপি বলেছে, ঝাড়খণ্ড, বিহার, কর্নাটকের পাবলিক সার্ভিস কমিশন এবং পঞ্জাবে প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার প্রশ্ন ফাঁসের প্রেক্ষিতে চলমান ছাত্র-আন্দোলনের প্রতি তারা সংহতি জানাচ্ছে। এই সূত্র ধরেই সংগঠনের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক বীরেন্দ্র সিংহ সোলাঙ্কি বলেছেন,প্রশ্নপত্র ফাঁসের ঘটনাগুলি দেশের পরীক্ষা ব্যবস্থার বিশ্বাসযোগ্যতার উপর বড় প্রশ্ন তুলে দিয়েছে। শিক্ষার্থীদের স্বার্থে স্বচ্ছ ও ত্রুটিমুক্ত পরীক্ষা ব্যবস্থা গড়ে তুলতে উচ্চস্তরীয় কমিটির কাছে সংগঠন তাদের সুপারিশ জমা দেবে। পাশাপাশি দেশজুড়ে 'ক্যাম্পাস টু ক্যাম্পাস বন্দে মাতরম', 'এক গ্রাম–এক তিরঙ্গা' এবং অন্যান্য কর্মসূচির মাধ্যমে দেশপ্রেম, জাতীয় ঐক্য ও সাংবিধানিক কর্তব্য সম্পর্কে সচেতনতা বাড়ানোর উদ্যোগ নেওয়া হবে বলেও তিনি জানান।
বৈঠকের পর সংগঠনের তরফে জানানো হয়, JPSC, BPSC, KPSC এবং পাঞ্জাব-সহ বিভিন্ন রাজ্যে প্রশ্নপত্র ফাঁসের ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্ত পরীক্ষার্থীদের ন্যায্য দাবির প্রতি তারা পূর্ণ সমর্থন জানাচ্ছে। একই সঙ্গে সমাজের বিভিন্ন সংগঠন ও সচেতন নাগরিকদেরও শিক্ষার্থীদের গণতান্ত্রিক আন্দোলনের পাশে দাঁড়ানোর আহ্বান জানানো হয়েছে।
এছাড়া, সংসদে জাতীয় সম্মান অবমাননা প্রতিরোধ (সংশোধনী) বিল, ২০২৬ পাস করে 'বন্দে মাতরম'-এর মর্যাদাকে আইনগত সুরক্ষা দেওয়ার সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়েছে এবিভিপি।
বৈঠকে এবিভিপির জাতীয় পর্যায়ের বিভিন্ন অভিযানের ভবিষ্যৎ কর্মপরিকল্পনাও নির্ধারণ করা হয়। ‘স্ক্রিন টাইম টু অ্যাক্টিভিটি টাইম’-এর পাশাপাশি ‘বন্দে মাতরম ১৫০ বছর ক্যাম্পাস টু ক্যাম্পাস বন্দে মাতরম’ অভিযান দেশের প্রতিটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ব্যাপকভাবে পৌঁছে দেওয়ার সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। এছাড়াও স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে তিরঙ্গা র্যালি, ‘এক গ্রাম–এক তিরঙ্গা’ অভিযান এবং সমবেতভাবে ‘বন্দে মাতরম’ গাওয়ার কর্মসূচিরও পরিকল্পনা করা হয়েছে।
















