সোমবার ৮১,৬৬৬.৪৬ পয়েন্টে বন্ধ হয়েছিল। মঙ্গলবার শেয়ার বাজার খুলতেই সেনসেক্স ৩,৬০০ পয়েন্টের বেড়ে ৮৫,০০০ পয়েন্ট অতিক্রম করেছে। নিফটি সোমবার ২৫,০৮৮.৪০-এ বন্ধ হয়েছিল।মঙ্গলবার সকালে নিফটি ১,২০০ পয়েন্ট বেড়েছে।
3
7
গত এক সপ্তাহে ভারতের শেয়ারবাজারে ব্যাপক অস্থিরতা দেখা গিয়েছে। এর শুরুটা হয়েছিল ইউরোপীয় ইউনিয়নের সঙ্গে একটি মুক্ত বাণিজ্য চুক্তির পর বেঞ্চমার্ক সূচকগুলোর রাতারাতি ক্ষতি পুষিয়ে নেওয়ার মাধ্যমে। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি এই চুক্তিকে "সব চুক্তির জননী" বলে ঘোষণা করেছিলেন। এই চুক্তির পর বস্ত্র খাত বিশেষভাবে ভাল সাড়া দিয়েছিল। ১২ শতাংশের বেশি বৃদ্ধি পেয়েছিল। অন্যদিকে স্বয়ংচালিত খাত চার শতাংশ কমে গিয়েছিল।
4
7
এরপর রবিবার ভারতীয় শেয়ার বাজারে ভয়াবহ দরপতন ঘটে। অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামনের ২০২৬ সালের কেন্দ্রীয় বাজেট বক্তৃতার জেরে সূচকগুলো খারাপভাবে প্রভাবিত হয়। বাজার প্রায় দুই শতাংশ ধসে পড়েছিল। বিশেষজ্ঞরা পরামর্শ দিয়েছেন যে, মূলত শেয়ারের উপর লেনদেন কর বাড়ানোর একটি প্রস্তাবের কারণে বিনিয়োগকারীরা শঙ্কিত হয়েছিলেন। এই দরপতনে বিনিয়োগকারীদের প্রায় ১০ লক্ষ কোটি টাকার সম্পদ বিলুপ্ত হয়ে যায়।
5
7
দীর্ঘ টালবাহানা শেষে সোমবার ভারতের সঙ্গে আমেরিকার বাণিজ্যচুক্তি চূড়ান্ত হয়। ভারতের উপর শুল্ক কমিয়ে ১৮ শতাংশ করেছে ওয়াশিংটন। এর জন্য মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি।
6
7
এই চুক্তির ঘোষমার সময়ে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প দাবি করেছেন, রাশিয়া থেকে তেল কেনা বন্ধ করতে রাজি হয়েছে দিল্লি। বদলে আমেরিকার থেকে তেল কিনবে ভারত। এছাড়াও আমেরিকা থেকে ৪৫,২৫,৬২২ কোটি টাকার পণ্যও ভারত কিনবে বলে নাকি তাঁকে কথা দিয়েছেন মোদি। এই শর্তেই নাকি ভারত-মার্কিন বাণিজ্য চুক্তি চূড়ান্ত হয়েছে। ইতিমধ্যে এই বিষয়টিকে সামনে এনে কটাক্ষ করছে কংগ্রেস-সহ অন্য বিরোধী দলগুলি।
7
7
সোমবার রাতে প্রধানমন্ত্রী মোদির সঙ্গে কথা হয় ট্রাম্পের। এই আলাপচারিতার কথা ট্রুথ সোশ্যাল হ্যান্ডলে পোস্ট করেন ট্রাম্প। সেখানে তিন দাবি করেন, "তিনি (মোদি) রাশিয়া থেকে তেল কেনা বন্ধ করতে রাজি হয়েছেন। আমেরিকার কাছ থেকে আরও অনেক বেশি তেল কিনবে ভারত। সম্ভবত ভেনেজুয়েলার কাছ থেকেও ভারত বেশি করে তেল কিনবে।"